রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের একদিন আগে রাজধানীর হেয়ার রোডে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সরকারি বাসভবনে নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের ভিড় দেখা গেছে। শুভেচ্ছা জানানো ছাড়াও অনেকে ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশের জন্য সেখানে উপস্থিত হন।
বুধবার রাত ৮টার দিকে মির্জা ফখরুলের ৩৫ নম্বর সরকারি বাসভবনে গিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। তার নির্বাচনি এলাকা ঠাকুরগাঁওয়ের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন স্থান এবং উত্তরবঙ্গের অন্যান্য এলাকা থেকেও অনেকে সেখানে আসেন।
আগতদের অনেকের হাতে বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল। মির্জা ফখরুলের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তার স্বাক্ষর নিয়ে সুপারিশপ্রার্থীদের ডেকে ডেকে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন।
ঠাকুরগাঁওয়ের বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ফি কমানোর সুপারিশ নিতে সেখানে এসেছেন। তিনি জানান, ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়াশোনা করছেন এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচ বেশি হওয়ায় ফি কমানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ প্রয়োজন ছিল। মির্জা ফখরুলের সুপারিশ পাওয়ার পর অন্তত ২০ শতাংশ ছাড় পাওয়ার আশা করছেন তিনি।
সেখানে আসা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর মির্জা ফখরুলের সঙ্গে আগের মতো সহজে দেখা করার সুযোগ নাও থাকতে পারে বলে তারা মনে করছেন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর হওয়ায় ব্যক্তিগত সমস্যা ও বিভিন্ন দাবি নিয়ে সরাসরি যোগাযোগ করা কঠিন হবে বলেও অনেকে মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের পর সন্ধ্যায় ফলাফল জানা যাবে। এরপর শুক্রবার নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।