পে স্কেলে বকেয়া পরিশোধে জটিলতা, ৫ অক্টোবর শুরু পে-ফিক্সেশন
নতুন বেতন কাঠামোয় অক্টোবরের বেতন ও তিন মাসের বকেয়া নির্ধারণে যাচাই হবে চাকরিজীবীদের তথ্য; উচ্চতর গ্রেড নিয়েও রয়েছে জটিলতা।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৩-১০-২০২৬ ০৮:০৯:১৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৩-১০-২০২৬ ০৮:০৯:১৮ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৩ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে বকেয়া বেতন পরিশোধ ও উচ্চতর গ্রেড নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। আগামী ৫ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত পে-ফিক্সেশন কার্যক্রম চলবে। এ প্রক্রিয়া শেষ হলে নতুন কাঠামো অনুযায়ী অক্টোবরের বেতন এবং জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসের বকেয়া পরিশোধের হিসাব চূড়ান্ত করা হবে।
সেপ্টেম্বরের বেতনে নতুন পে স্কেলের বাড়তি অর্থ পাচ্ছেন না সরকারি চাকরিজীবীরা। অক্টোবরের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী নির্ধারণের প্রস্তুতি চলছে। ফলে নভেম্বরের শুরুতে নতুন হারে বেতন পাওয়ার কথা রয়েছে।
অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ‘আইবাস প্লাস প্লাস’ পোর্টালে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই ও পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন করতে হবে। কোনো তথ্য ভুল, অসম্পূর্ণ কিংবা পুরোনো রেকর্ডের সঙ্গে অসংগত হলে প্রক্রিয়াটি আটকে যেতে পারে। এ জন্য হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনলাইন প্রশিক্ষণও শুরু হয়েছে।
নতুন আদেশ অনুযায়ী, কোনো স্থায়ী কর্মচারী পদোন্নতি ছাড়াই একই পদে আট বছর পূর্ণ করলে এবং চাকরি সন্তোষজনক হলে প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাবেন। প্রথমবার উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর একই পদে আরও ছয় বছর চাকরি করলে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তবে আগের বেতন কাঠামোয় টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়া কর্মচারীদের নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে নিয়োগ বা পদোন্নতি পাওয়া কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী অর্থ বিভাগে আবেদন করে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।
অর্থ বিভাগের আদেশে বলা হয়েছে, আগের বেতন কাঠামোয় একই পদে দুই বা ততোধিক সিলেকশন গ্রেড, টাইমস্কেল কিংবা উচ্চতর গ্রেড পেয়ে থাকলে নতুন পে স্কেলে ওই পদে আর উচ্চতর গ্রেড পাওয়া যাবে না। তবে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত একই পদে একটি উচ্চতর স্কেল বা গ্রেড পাওয়া কর্মচারীরা পরবর্তী ছয় বছর পূর্ণ হলে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং দশম থেকে বিংশ গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ পাবেন। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত এই হার যথাক্রমে ৭০ ও ৭৫ শতাংশ হবে। একই বছরের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। অন্যান্য ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। পেনশনভোগীরাও নতুন কাঠামোর সুবিধা পাবেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
সর্বশেষ সংবাদ
এ জাতীয় আরো খবর