ট্রাম্পের মতে, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে বাড়তে থাকা ঐক্য এবং নিজেদের নিরাপত্তা আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করার সক্ষমতার প্রতিফলন। তিনি এটিকে বড়, সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ হিসেবেও উল্লেখ করেন।
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, যৌথ নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই চলতি মাসের শুরুতে চুক্তিতে সই করে তিন দেশ।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান চুক্তিটিকে পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে কৌশলগত সংকল্পের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেন, কোনো সাম্প্রতিক ঘটনা বা নির্দিষ্ট কোনো দেশকে লক্ষ্য করে এই চুক্তি করা হয়নি।
এরদোয়ান জানান, তুরস্ক উত্তেজনার পরিবর্তে কূটনীতি, সংঘাতের পরিবর্তে সংলাপ এবং বিভাজনের পরিবর্তে আঞ্চলিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও তুরস্ক ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি।
চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও রয়েছে।
যৌথ কৌশলগত স্বার্থের ভিত্তিতে করা এই চুক্তির মূল লক্ষ্য যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জোরদার এবং কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য না করে নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা।