বাজারে এক ডজন ডিম ১০ টাকা কমে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে একই পরিমাণ ডিমের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দামও কেজিতে প্রায় ১০ টাকা কমে ১৯০ টাকায় নেমেছে। তবে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দামে পরিবর্তন নেই। সোনালি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দাম রয়েছে ৮০০ টাকা কেজি।
মাছের বাজারে অবশ্য দামের স্থিরতা নেই। বিক্রেতাদের ভাষ্য, পাইকারি সরবরাহের ওপর নির্ভর করে একদিনের ব্যবধানে কিংবা সকাল ও বিকেলে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম পরিবর্তন হচ্ছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্তের বেশি কেনা পাঙাশ ও তেলাপিয়াও আগের তুলনায় চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।
বর্তমানে চাষের পাঙাশ ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ি মানভেদে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতা রফিকুল ইসলাম জানান, আগে পাঙাশ ১৮০ টাকা কেজির মধ্যে পাওয়া গেলেও এখন তা ২০০ টাকার নিচে নেই। তেলাপিয়ার দামও কয়েক মাসে প্রায় ৬০ টাকা বেড়েছে বলে তিনি জানান।
মুরগি ব্যবসায়ী আনিস আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে ব্রয়লার ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই রয়েছে।
মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন জানান, মাছের দাম মোটামুটি আগের পর্যায়েই রয়েছে। তবে পাইকারি বাজারের সরবরাহের ওপর নির্ভর করে দাম দ্রুত পরিবর্তন হয়। সকালে যে দামে মাছ বিক্রি হয়, বিকেলে সেই দাম পরিবর্তিত হতে পারে।