ঢাকা , মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ , ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) , ২৮ সফর ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
ফেনীতে ৮ মাসে চুরি শতাধিক ট্রান্সফরমার, বাড়ছে সংকট কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর দফায় দফায় আফটারশক ইরানের নতুন নিরাপত্তাপ্রধান কে এই মহসেন রেজাই? মানবিকে অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী ফেল, বিজ্ঞানে পাসের হার ৮০ শতাংশের ব ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এসএসসি পাসের হার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ সৌদি আরব আগুন ১৭ জনের মৃত্যু: ৭ জনই নওগাঁর আত্রাইয়ের ৪২ ঋণখেলাপীর অর্থ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক ৮ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে কাল থেকে চালু হচ্ছে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন গ্রামের মানুষকে শহরমুখী হতে হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দুই দেশের সরকারপ্রধান একসঙ্গে বসলে সমস্যার সমাধান সম্ভব: হাইকমিশনার নাজিরগঞ্জে অনুমতি ছাড়াই চলছে অবৈধ খেয়া নৌকা টোল আদায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত দারুল উলুম দেওবন্দে ‘গঙ্গা জল’ ঢালার ঘোষণা হিন্দু রক্ষা দলের হেফাজত আমিরের কাছে দোয়া চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ দিনের সফরে দক্ষিণ সুদান ও আবেই গেলেন সেনাপ্রধান চ্যাটজিপিটির ফ্রি ব্যবহারকারীদের জন্য মেসেজ লিমিট তুলে নিল ওপেনএআই বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে দম্পতি র‌্যাব নাম পরিবর্তন হয়ে আসছে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন নিহত

ক্যানভার নানা ফিচার : গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের জন্য কার্যকরি একটি টুল

ক্যানভাতে রয়েছে নানা ধরনের টুল যা ব্যবহার করে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার নানা সুবিধা পেতে পারেন এবং ল্যাপটপ বা পিসির পাশাপাশি মোবাইলেও চালনা করা যায় গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কাছে পছন্দনীয় এই অ্যাপ বা সফটওয়্যার ।
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১১-০৮-২০২৬ ০৫:০১:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০৮-২০২৬ ০৫:৩১:২৭ অপরাহ্ন
  • ৮ মিনিট পড়ার সময়
  • ৪৩ বার পঠিত
ক্যানভার নানা ফিচার :  গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের জন্য কার্যকরি একটি টুল প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
আরমিন ইসলাম অর্থী, শিক্ষার্থী

ক্যানভা বর্তমান সময়ে গ্রাফিক্স ডিজাইনার দের কাছে অন্যতম পছন্দের একটি টুল। প্রাথমিক ভাবে বলতে গেলে এটি এমন একটি সফটওয়্যার বা অ্যাপ যেটির সাহায্যে একজন ডিজাইনার নানা ধরনের ডিজাইন তৈরি করতে পারেন। এছাড়া ডিজাইনের পাশাপাশি ক্যানভা ব্যবহার করে আপনি তৈরি করতে পারবেন আপনার পছন্দ মতো স্লাইড। এসব স্লাইড পোর্টফলিও সহ আরও নানা কাজে লাগতে পারে৷

একজন ব্যবহারী নানা ধরনের ফিচার ক্যানভাতে পেতে পারেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু ফিচার নিয়ে আলোচনা করা হবে। তবে তার আগে জেনে নেয়া যাক ক্যানভার ফ্রি ভার্সন এবং প্রো ভার্সন সম্পর্কে।

ক্যানভার ফ্রি ভার্সন এবং প্রো ভার্সন:ব্যবহারকারী যখন ফ্রি তে ক্যানভা সফটওয়্যারটি ইউজ করবেন, তখন ক্যানভার কিছু সুবিধা তার জন্য লক করা থাকবে। যেমন- একজন ফ্রি ইউজার ক্যানভার নানা ফন্ট ব্যবহার করতে পারবেন না। এছাড়া কিছু ইলিমেন্ট ব্যবহার করতে গেলে ব্যাকরাউন্ডে ক্যানভার নাম লেখা থাকবে যেটা ফ্রি চালানো অবস্থায় রিমুভ করা সম্ভব নেই। অর্থাৎ ফ্রি তে ক্যানভা ব্যবহার করলে এর নানা সুবিধা থেকে একজন ইউজার বন্ঞ্চিত থাকবেন।

অন্যদিকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পে করার মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী ক্যানভার প্রো ভার্সন ব্যবহার করতে পারেন। এই প্রো ভার্সনে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফন্ট যেগুলো দিয়ে সহজেই একটি ডিজাইনের সৌন্দর্য বাড়িয়ে ফেলা যায় অনেকাংশেই। শুধু মাত্র ফন্ট নয়। ক্যানভার প্রো ভার্সন ব্যবহার করলে আরও নানা সুবিধা ব্যবহারকারীর সামনে উন্মুক্ত করা হয়, যা দিয়ে ফ্রি ইউজিং এর সীমাবদ্ধতা গুলো কাটিয়ে উঠা যায়।

যদিও প্রো ভার্সনের সাহায্যে ক্যানভাতে ফ্রি ভার্সনের চেয়ে বেশি সুবিধা পাওয়া যায়, তবে এটি মনে করার কোনো কারণ নেই যে, ফ্রি ভার্সন দিয়ে ডিজাইন করা সম্ভব নয়। বরং ফ্রি ভার্সনে থাকা সুবিধাগুলো ব্যবহার করে একজন ফ্রি ক্যানভা ইউজারও ডিজাইন তৈরিতে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেন।

ক্যানভার নানা ফিচার সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো:

ক্যানভাসের পরিমাপ নির্ধারণ:একজন ডিজাইনারকে নানা ধরনের ডিজাইন করতে হতে পারে। ফেসবুকের একটি সাধারণ পোস্টার এবং একটি কভার পিকচার দুটির পরিমাপ আলাদা হবে। সেক্ষেত্রে ক্যানভা থেকে ডিজাইনের শুরুতেই প্রয়োজন অনুযায়ী ক্যানভাসের পরিমাপ নির্ধারণ করা যায়। এভাবে ডিজাইন অনুযায়ী পরিমাপ নির্ধারণ ডিজাইনারের পেশাদারিত্বের পরিচয় বহন করে।

ইলিমেন্ট: ক্যানভার নানা ফিচার এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো "ইলিমেন্ট"। ক্যানভার ক্যানভাসটি ডিজাইনের জন্য প্রস্তুত করার পর ইলিমেন্ট অপশন থেকে নানা কিছু সিলেক্ট করা যায় ডিজাইনের জন্য। "ইলিমেন্ট" টুলটিতে মক আপ, গ্রাফিক্স, ফটো সহ বেশ কিছু ক্যাটাগরি রয়েছে। একজন ব্যবহারকারী এসব ক্যাটাগরি থেকে পছন্দ অনুযায়ী ইলিমেন্ট সিলেক্ট করতে পারেন। ইলিমেন্ট সিলেক্ট করার পর ক্যানভাসে নিজের পছন্দমতো জায়গায় সেটি বসিয়ে ব্যবহারকারী ডিজাইনের কাজ করতে পারেন। তবে পছন্দমতো ইলিমেন্ট খুঁজে পাওয়ার জন্য ইলিমেন্টের সার্চ অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় ইলিমেন্টের নাম লিখে সার্চ দিতে হবে। এতে করে ব্যবহারকারীর পছন্দ অনুযায়ী উপকরণ খুঁজে পাওয়া সহজ হয়।

যেমন - কেউ যদি একটি ইসলামিক কোনো ডিজাইন তৈরি করতে চান, তিনি ইলিমেন্টের সার্চ অপশন থেকে "Mosque" লিখে সার্চ দিতে পারেন। এতে করে ক্যানভাতে থাকা মসজিদের নানা ইলিমেন্ট ব্যবহারকারীর সামনে হাজির হয়ে যাবে।

ইলিমেন্টের একটি টুল হলো "ফ্রেম"। ইলিমেন্ট অপশনে গিয়ে ফ্রেম লিখে সার্চ করলে নানা ধরনের ফ্রেম দেখতে পাওয়া যায়। ফ্রেম নানা আকৃতির হয়ে থাকে। যেমন- গোলাকার, ডিম্বাকার, তারকাকার, চতুর্ভুজাকার, আয়তাকার ইত্যাদি। ফ্রেম ব্যবহারের সুবিধা হলো এটির সাহায্যে সহজেই একটি ছবিকে নির্দিষ্ট আকৃতি অনুযায়ী ডিজাইনে ব্যবহার করা যায়। যেমন- কেউ যদি ডিভাইসে থাকা একটি চতুর্ভুজ আকৃতির ছবিকে ডিজাইনে গোলাকার ছবি হিসেবে প্রদর্শন করতে চায়, তাহলে প্রথমে তাকে একটি গোলাকার ফ্রেম সিলেক্ট করতে হবে। এবার মোবাইল/ ল্যাপটপ/ পিসি থেকে ছবি নিয়ে ঐ ফ্রেমের উপর বসালে ছবিটি গোলাকার ছবি হিসেবে ডিজাইনে প্রদর্শিত হবে। এছাড়া ফ্রেম সিলেক্ট করার পর ডিজাইনের প্রয়োজন অনুযায়ী তা ছোট-বড় করারও সুযোগ রয়েছে।

টেম্পলেট :অনেক সময় এমন হয় যে আমরা খুব ব্যস্ততায় থাকি। খুঁজে খুঁজে ইলিমেন্ট নিয়ে জায়গামতো বসিয়ে কাজ করার মতো সুযোগ হয়ে উঠে না। কিংবা কখনো এমন হতে পারে যে জরুরি ভিত্তিতে একটি ডিজাইন তৈরি করে জমা দিতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের কাজকে কিছুটা সহজ করার জন্য ক্যানভাতে রয়েছে একটি ফিচার যার নাম হলো "টেম্পলেট"। টেম্পলেট ব্যবহার করে আমরা একটি তৈরিকৃত ডিজাইনে প্রয়োজনীয় সম্পাদনা করে আমাদের কাঙ্ক্ষিত ডিজাইনটি পেতে পারি। ক্যানভা থেকে একটি টেম্পলেট সিলেক্ট করার পর আমরা সেটার কালার, ফ্রেম, ফন্ট, টেক্সটসহ নানা কিছু ইডিট করতে পারি। এতে করে খুব সহজেই যেমন ডিজাইনের আইডিয়া পাওয়া যায়, তেমনিভাবে রেডি ডিজাইনে নিজের মতো ইডিট করে সহজেই কাঙ্ক্ষিত ডিজাইনটি পাওয়া যায়।

যেমন- অল্প সময়ের মধ্যে কেউ যদি একটি সার্টিফিকেট এর ডিজাইন তৈরি করতে চান, তাহলে তাকে প্রথমে যেতে হবে ক্যানভার টেম্পলেট ফিচারটিতে। এরপর টেম্পলেটের সার্চ অপশনে গিয়ে ব্যবহারকারী "certificate" লিখে সার্চ দিতে পারেন। তখন ক্যানভাতে থাকা এই সংক্রান্ত নানা টেম্পলেট ব্যবহারকারী দেখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

ফন্ট:একটি ডিজাইনকে আকর্ষণীয় দেখানোর জন্য অন্যতম ভূমিকা পালন করে ডিজাইনটিতে ব্যবহৃত ফন্টগুলো। ক্যানভাতে নানা ধরনের ফন্ট রয়েছে৷ তবে ফ্রি ভার্সনের তুলনায় প্রো ভার্সনের ফন্ট ভাণ্ডার আরো সমৃদ্ধ এবং আকর্ষণীয়। বাংলা এবং ইংরেজি উভয় ধরনের ফন্টের বৈচিত্র্য রয়েছে ক্যানভাতে।

ক্যানভাতে ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ফন্টেও রয়েছে বৈচিত্র্য: ব্যবহারকারী যদি লেখার পর ফন্ট পরিবর্তন করার সময় ইংরেজি ফন্ট থেকে বাংলা ফন্টে যেতে চান, তাহলে ক্যানভার ফন্ট অপশন সিলেক্ট করে সেখানে "Bengali" লিখে সার্চ দিলে বাংলা ফন্টের ভাণ্ডার দৃশ্যমান হবে। সেখান থেকে পছন্দ অনুযায়ী ফন্ট সিলেক্ট করা যাবে।

ক্যানভাতে প্রতিটি ফন্টের জন্য আলাদা আলাদা নাম রয়েছে। কারো যদি নির্দিষ্ট কোনো ফন্ট পছন্দ হয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে ঐ ফন্টটিই ব্যবহার করতে চান, তাহলে ফন্টের সার্চ বারে ঐ ফন্টের নাম লিখে সার্চ করলে সেই ফন্টটি খুঁজে পাওয়া যাবে। কেউ যদি ইংরেজিতে "Hand writing" ক্যাটাগরির লেখা নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হন, তাহলে "Hand Writing" লিখে ফন্টের সার্চবারে সার্চ করতে হবে। এতে করে এই ক্যাটাগরিতে থাকা ফন্ট গুলো ব্যবহারকারীর সামনে দৃশ্যমান হবে।

ফন্টের আকার নির্ধারণ: ক্যানভাতে একজন ব্যবহারকারী পছন্দ অনুযায়ী ফন্টের আকার নির্ধারণ করতে পারেন। আকার বলতে বোঝানো হচ্ছে - ফন্টটি কতটুকু ছোট বা বড় থাকবে। ফন্টের আকার নির্ধারণ করার জন্য প্রথমে "font size" অপশনে যেতে হবে। সেখানে ব্যবহারকারী পছন্দমতো সংখ্যা বসিয়ে ফন্টের আকার নির্ধারণ করতে পারবেন। এছাড়া পরীক্ষা মূলক ভাবে ফন্টের আকার সামান্য ছোট বড় করে দেখার জন্য +/- চিহ্ন ব্যবহার করার সুযোগও রয়েছে।

ক্যানভাতে ফন্ট সিলেকশন গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় খেয়াল রাখা উচিত, তা হলো- কিছু ফন্ট থাকে এমন যেগুলো নিয়ে কাজ করলে লেখাকে আর আলাদা করে বোল্ড করার সুযোগ থাকে না। তাই আমরা যদি লেখাকে বোল্ড অবস্থায় রাখতে চাই, তাহলে ঐ নির্দিষ্ট কিছু ফন্ট সিলেকশন থেকে বিরত থাকতে হবে। < strong>পছন্দ অনুযায়ী ফন্টের রং নির্ধারণ: ডিজাইনার যদি ফন্টের রং পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক হন তাহলে প্রথমে যতটুকু লেখার রং পরিবর্তন করতে চান, ততটুকু লেখা সিলেক্ট করতে হবে। এরপর কালার অপশন থেকে পছন্দ অনুযায়ী রং নির্ধারণ করা যাবে। এছাড়া সলিড রং ছাড়াও কেউ চাইলে একাধিক কালারকে ফন্টের রং হিসেবে নির্ধারণ করতে পারেন।

লেখাতে বোল্ড/ ইটালিক/ আন্ডারলাইন টুল ব্যবহার: একটি ডিজাইনে লেখার নান্দনিকতা বাড়ানো হলে তা পুরো ডিজাইনটির নান্দনিকতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। আর লেখার সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য কখনো কখনো লেখাকে বোল্ড, ইটালিক কিংবা আন্ডারলাইনড অবস্থায় আনার প্রয়োজন হয়। ক্যানভাতে ডিজাইন করার সময় সহজেই আমরা কোনো লেখাকে বোল্ড, ইটালিক কিংবা আন্ডারলাইনড অবস্থায় আনতে পারি। বোল্ড করার মাধ্যমে কোনো লেখাকে সহজেই হাইলাইট করা যায়। অনেকগুলো লাইনের মধ্যে কোনো একটি লাইনকে আলাদা করে তুলে ধরার জন্য বোল্ড করা একটি সহজ উপায়। এছাড়া ইটালিক অপশন সিলেক্ট করেও কোনো লেখাকে ব্যতিক্রম ভাবে তুলে ধরা যায়। আবার আমরা যদি কোনো লাইন অথবা কোনো শব্দের নিচে একটি লাইন টেনে সেটিকে আলাদা করতে চাই, তাহলে আমরা আন্ডারলাইন টুল ব্যবহার করতে পারি। যেমন- কোনো লাইনের সাথে লিংক অ্যাটাচ করার ক্ষেত্রে ঐ নির্দিষ্ট লাইনকে আন্ডারলাইন করে দেয়া কার্যকর একটি উপায়।

ডিজাইনে ছবি যোগ করা:ইলিমেন্টের পাশাপাশি কখনো ডিজাইনে ছবি যোগ করার প্রয়োজন হতে পারে। এক্ষেত্রে প্রথমে প্রয়োজন হলো যে ছবিটি ব্যবহার করা হবে, সেটি ডিভাইসে থাকা। এরপর ক্যানভার আপলোড বা গ্যালারি অপশন থেকে ছবিটি আপলোড করতে হবে।

ব্যাকরাউন্ডের কালার পরিবর্তন :একটি ডিজাইনকে আকর্ষণীয় করে তোলার ক্ষেত্রে ব্যাকরাউন্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্যানভাতে ব্যবহারকারী চাইলে ব্যাকরাউন্ডের কালার পরিবর্তন করে নিতে পারেন নিজের পছন্দমতো। এমনকি এখানেও ফন্টের মতো গ্রেডিয়েন্ট এর সাহায্যে একাধিক কালার ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে।

লাইন এবং লেটার স্পেসিং:: ক্যানভাতে একজন ব্যবহারকারীর সুযোগ রয়েছে একটি লেখার লাইন এবং অক্ষর গুলোর দূরত্ব নিয়ন্ত্রণ করার। এই সুবিধার মাধ্যমে একটি টেক্সটের সৌন্দর্য বারিয়ে তোলা যায়। কেননা লেখার প্রতিটি অক্ষর এর মধ্যে খুব কম দূরত্ব থাকলে অনেক সময় তা ঠিকভাবে বোঝা যায় না। আবার শব্দের অক্ষরগুলোর মাঝে দূরত্ব খুব বেশি থাকলেও সামগ্রিকভাবে ডিজাইনটি তার সৌন্দর্য হারায়। লেটার স্পেসিং নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে সহজেই বিষয়গুলো সমাধান করা যায়। একইভাবে লাইন স্পেসিংও ডিজাইনের সামগ্রিক সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে ভূমিকা পালন করে।

পয়েন্ট আকারে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা:একটি ডিজাইনে কখনো কখনো কিছু তথ্য পয়েন্ট আকারে তুলে ধরার প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে ক্যানভার একটি ফিচার ব্যবহার করে সহজেই কাজটি করে ফেলা যায়। এই ফিচার সিলেক্ট করে কোনো কিছু লেখার পর এন্টার বাটন প্রেস করলেই স্বয়ংক্রিয় ভাবে আরেকটি পয়েন্ট নির্দেশক যুক্ত হয়ে যায়। এক্ষেত্রে যেহেতু বারবার পয়েন্ট নির্দেশক যুক্ত করতে হয় না, যা ডিজাইনারের কাজকে কিছুটা সহজ করে দেয়।

ট্রান্সপারেন্সি এবং ডুপ্লিকেট ফিচার ব্যবহার করে লেখার শ্যাডো তৈরি:ক্যানভার বেশ উপকারী একটি ফিচার হলো "ডুপ্লিকেট"। আর আরেকটি ফিচার যেটি ডিজাইনাররা ব্যবহার করে থাকেন, সেটি হলো "ট্রান্সপারেন্সি"। এই দুটি ফিচার ব্যবহার করে ডিজাইনে ব্যবহৃত টেক্সটের শ্যাডো তৈরি করা যায়। প্রথমে নির্দিষ্ট টেক্সট যেটির শ্যাডো তৈরি করতে চাচ্ছি সেটি ডুপ্লিকেট করে নিতে হবে। এরপর এটির ট্রান্সপারেন্সি কমিয়ে মূল লেখার উপর বসিয়ে শ্যাডো তৈরি করা যাবে। এভাবেই ক্যানভার নানা ফিচার ব্যবহার করে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার একটি আকর্ষণীয় ডিজাইন তৈরি করতে পারেন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।