ঢাকা , শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের চার বড় উদ্যোগ ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার লাওসে চীনের নতুন সামরিক ঘাঁটি, বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড হাইকোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও উদ্ধার মহড়া

নবীদের জীবন থেকে শেখার ৫ শিক্ষা, যা বদলে দিতে পারে একজন মুমিনের জীবন

তওবা, ধৈর্য, তাওয়াক্কুল ও ত্যাগের মাধ্যমে দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার দিকনির্দেশনা

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০২-০৮-২০২৬ ০৯:৫৬:১০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০৮-২০২৬ ১২:৫০:০২ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১২৭ বার পঠিত
নবীদের জীবন থেকে শেখার ৫ শিক্ষা, যা বদলে দিতে পারে একজন মুমিনের জীবন ছবি: সংগৃহীত
নবীদের জীবন মুসলিমদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে তাদের অনুসরণ একজন মুমিনকে সঠিক পথের দিশা দেয় এবং দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার ভিত্তি গড়ে তোলে। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত নবীদের বিভিন্ন ঘটনা থেকে এমন বহু শিক্ষা পাওয়া যায়, যা ঈমান, ধৈর্য, ত্যাগ ও আল্লাহর প্রতি নির্ভরশীলতা দৃঢ় করতে সহায়তা করে। এখানে নবীদের জীবন থেকে গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি শিক্ষা তুলে ধরা হলো।
 
প্রথমত, আদম (আ.) এর জীবন থেকে তওবার গুরুত্ব জানা যায়। মানুষ ভুল করতেই পারে, তবে আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে ফিরে আসাই একজন মুমিনের বৈশিষ্ট্য। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “অতঃপর আদম তাঁর রবের কাছ থেকে কিছু বাক্য শিখে নিলেন। তখন আল্লাহ তাঁর তওবা কবুল করলেন। নিশ্চয়ই তিনি তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।” সুরা বাকারা, আয়াত ৩৭।
 
দ্বিতীয়ত, নুহ (আ.) এর জীবন সত্যের দাওয়াতে অবিচল থাকার শিক্ষা দেয়। মানুষ গ্রহণ করুক বা না করুক, সত্যের আহ্বান অব্যাহত রাখা এবং প্রতিকূলতার মধ্যেও ধৈর্য ধারণ করা ঈমানদারের অন্যতম গুণ। পবিত্র কোরআনে উল্লেখ রয়েছে, “আমি তো নুহকে তার সম্প্রদায়ের নিকট প্রেরণ করেছিলাম এবং সে তাদের মধ্যে পঞ্চাশ কম হাজার বছর অবস্থান করেছিল। অতঃপর প্লাবন তাদের গ্রাস করে। কারণ তারা ছিল সীমালঙ্ঘনকারী।” সুরা আনকাবুত, আয়াত ১৪।
 
তৃতীয়ত, ইবরাহিম (আ.) এর জীবন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্ত। আল্লাহর নির্দেশ পালনে যে ত্যাগ করা হয়, তার উত্তম প্রতিদান আল্লাহ নিজেই দান করেন। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, “তুমি স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছ। নিশ্চয়ই আমি সৎকর্মশীলদের এভাবেই প্রতিদান দিয়ে থাকি।” সুরা সাফফাত, আয়াত ১০৫।
 
চতুর্থত, ইয়াকুব (আ.) এর জীবন তাওয়াক্কুল ও আশাবাদের শিক্ষা দেয়। কঠিন পরিস্থিতিতেও আল্লাহর রহমতের ওপর আস্থা হারানো একজন মুমিনের কাজ নয়। তিনি তাঁর সন্তানদের বলেছিলেন, “হে আমার ছেলেরা, তোমরা যাও এবং ইউসুফ ও তার ভাইয়ের খোঁজখবর নাও। আর তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হইয়ো না, কেননা কাফির সম্প্রদায় ছাড়া কেউই আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না।” সুরা ইউসুফ, আয়াত ৮৭।
 
পঞ্চমত, আইয়ুব (আ.) এর জীবন ধৈর্য ও আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনার শিক্ষা দেয়। অসুস্থতা, দুঃখ কিংবা যেকোনো সংকটে ধৈর্য ধারণ করে আল্লাহর কাছে দোয়া করাই একজন মুমিনের করণীয়। পবিত্র কোরআনে তাঁর দোয়া উল্লেখ করা হয়েছে, “নিশ্চয়ই আমাকে দুঃখ কষ্ট স্পর্শ করেছে, আর আপনিই তো সর্বাধিক দয়ালু।” সুরা আম্বিয়া, আয়াত ৮৩।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।