রাশিয়ার তেল-গ্যাস কিনলে ভারতসহ ১০ দেশে ১০০% শুল্কের প্রস্তাব
‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংকশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’
- আপলোড সময় : ১৬-০৯-২০২৬ ০২:০৮:৪০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৬-০৯-২০২৬ ০২:০৯:০১ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০২ বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
রাশিয়া থেকে তেল ও গ্যাস আমদানি করা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেওয়ার প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ-সংক্রান্ত ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংকশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ প্রতিনিধি পরিষদে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়াগত ধাপ পার হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত শুল্ক এখনো কার্যকর হয়নি; বিলটি চূড়ান্তভাবে পাস হয়ে আইনে পরিণত হওয়ার পরই এ ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রতিনিধি পরিষদে ২১৪-২১১ ভোটে বিলটি এগিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। দুই ডেমোক্র্যাট সদস্য রিপাবলিকানদের সঙ্গে ভোট দেওয়ায় এটি প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিলটির চূড়ান্ত ভোট হওয়ার কথা ছিল।
এর আগে ৭ আগস্ট মার্কিন সিনেটে বিলটি ৮৬-১১ ভোটে পাস হয়। প্রস্তাবিত আইনে রাশিয়ার রাজনৈতিক নেতৃত্ব, জ্বালানি খাত এবং নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল পরিবহনে ব্যবহৃত জাহাজ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা আরও কয়েক বছর বাড়ানোর প্রস্তাবও রয়েছে।
বিলটির আওতায় রাশিয়ার জ্বালানি কেনা বা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তাকারী দেশগুলোর পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টকে দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে বিবেচনার জন্য উত্থাপিত একটি সংশোধনীতে ভারত, চীন, তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাজাখস্তান ও কিরগিজস্তানের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল।
তবে প্রতিনিধি পরিষদের চূড়ান্ত বিবেচনায় দেশগুলোর নাম সরাসরি আইনে অন্তর্ভুক্ত হবে কি না, তা নিয়ে পৃথক সংশোধনী ছিল। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান গ্রেগরি মিকস প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন। তার প্রস্তাবের লক্ষ্য ছিল প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা।
যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য, রাশিয়ার জ্বালানি বিক্রি থেকে পাওয়া অর্থ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে দেশটির চলমান যুদ্ধে অর্থায়নে সহায়তা করছে। তাই মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি রাশিয়ার বড় জ্বালানি ক্রেতাদেরও চাপের মধ্যে আনার লক্ষ্য রয়েছে এই উদ্যোগের।
বিলটি প্রতিনিধি পরিষদে পাস হলে পরবর্তী ধাপে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের জন্য পাঠানো হবে। তবে শুল্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে না; আইন কার্যকর হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট এ ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন কি না, সেটি আলাদা সিদ্ধান্তের বিষয়।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।