ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
আওয়ামী লীগ আমলে ঋণের হিসাবেও গড়মিল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ইউরোপে গ্যাসের দাম ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা, শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তে জামায়াত সেক্রেটারির গভীর উদ্বেগ মিথ্যা ঘোষণায় চকবাজারের প্রতিষ্ঠানের সাড়ে পাঁচ হাজার কেজি প্রসাধনী আটক আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার আহ্বান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষায় নিরাপত্তা বেড়া নির্মাণ করল ফিনল্যান্ড সেফটি ভালভ জটিলতা ও অগ্নিকাণ্ডে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলএনজি কিনছে পেট্রোবাংলা চাঁদপুরের ঐতিহাসিক বড় স্টেশন মাছঘাটে ইলিশের তীব্র সংকট ক্যাশলেস লেনদেন বাড়লে দুর্নীতি কমবে এবং ব্যবসার খরচ কমবে: অর্থমন্ত্রী উত্তরায় শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকার শপিং মলে ভয়াবহ আগুন হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনায় দুই সেনাসদস্য নিহত ড. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে পাওনিয়ার বেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংসদের কার্যপ্রণালি-বিধি ও পিটিশন কমিটির সভাপতি হলেন স্পিকার আরব আমিরাতে ভিসা বাতিল হওয়া বাংলাদেশিদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে জাতিসংঘে সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান

ইসলামী নাশীদে মিউজিক কি হালাল?

হামদ, নাত ও ইসলামী নাশীদের সঙ্গে মিউজিক ব্যবহারের বিষয়ে আলেমদের মতামত এবং ফতোয়ার আলোকে সংক্ষিপ্ত আলোচনা।
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১০-০৯-২০২৬ ০৯:২৩:৪৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৯-২০২৬ ০৯:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১৫ বার পঠিত
ইসলামী নাশীদে মিউজিক কি হালাল? প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
(হানাফি ফিকহ ফেসবুক গ্রুপ থেকে সংগৃহীত)

প্রশ্ন : বর্তমানে গজল বা নাশীদকে ইসলামী সংগীত বলা হয় এবং এই ইসলামী সংগীতের নামে অনেক শিল্পী সেই সংগীতে মিউজিক ব্যবহার করে। এর মধ্যে বাংলাদেশের অনেক পরিচিত মুখ রয়েছে। এই ব্যাপারে শরীয়তের বিধান কী?

উত্তর : বাদ্য-বাজনা শোনা নাজায়েয। তাই হামদ-নাতের সাথে বাদ্য-বাজনা থাকলে ঐ হামদ-নাত শোনা জায়েয হবে না। এছাড়া হামদ-নাত, গজলের সাথে এটা যুক্ত করা বেয়াদবিও বটে। তাই এ থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। তবে হামদ-নাত, গজল যদি সম্পূর্ণ বাজনা ও মিউজিক মুক্ত হয় এবং তার কথা যদি সহীহ হয়, শরীয়তের কোনো আকীদা বা নির্দেশের পরিপন্থী না হয় তাহলে তা বলা ও শোনা জায়েয।

উল্লেখ্য যে, যারা হামদ-নাত বা ইসলামী ধাঁচের গজল পরিবেশন করবে তাদের দায়িত্ব হলো এতে স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখা এবং গানের সুরে তা না বলা। তদ্রূপ এসব ক্ষেত্রে অন্যদের পরিভাষা যেমন কনসার্ট, গান ইত্যাদি শব্দও পরিহার করা উচিত। [মাসিক আলকাউসার, ডিসেম্বর ২০১৮]
সহীহ বুখারী, হাদীস ৫৫৯০; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ৩৬৮৫; মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস ৬৯০৮; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ৪/৩৪৫; ফাতহুল কাদীর ৬/৪৮১; বাহরুর রায়েক ৭/৮৮; ইসলাম আওর মূসিকী, মুফতী মুহাম্মাদ শফী রাহ.

পাকিস্তানের প্রসিদ্ধ দ্বীনি বিদ্যাপীঠ জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বানূরী টাউন, করাচীর ফতোয়ায় বলা হয়েছে—

“মিউজিক এবং বাদ্যযন্ত্র তৈরি করা, ব্যবহার করা ও শোনা—সবই নাজায়েজ ও হারাম। তা সাধারণ গানের সাথে হোক কিংবা হামদ-নাতের সাথে। অতএব, কোনো নাত বা ইসলামী নাশীদের সাথে যদি মিউজিক সংযুক্ত থাকে, তাহলে তা পাঠ করাও নাজায়েজ, আর তা শোনাও নাজায়েজ।

তদ্রূপ, মিউজিক চাই বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে তৈরি হোক কিংবা মুখে মুখে অনুকরণ করে তৈরি করা হোক—উভয় পদ্ধতিতেই নাতের সাথে যুক্ত করা বৈধ নয়; বরং নাতে মিউজিক ব্যবহার নবী কারীম ﷺ-এর পবিত্র নামের সাথে বেয়াদবির শামিল।’’ (ফাতাওয়া নম্বর 144107200945)

দারুল উলূম দেওবন্দের ফতোয়ায় এসেছে, “যে নাশিদে (নাতে) সঙ্গীত বা বাদ্যযন্ত্রের মিশ্রণ থাকে, তা শরীয়তের দৃষ্টিতে শোনা বৈধ নয়। পক্ষান্তরে, যে নাশিদ সঙ্গীত থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত এবং যাতে অশ্লীলতা, প্রেমমূলক কবিতা কিংবা পর-নারীর কণ্ঠস্বর অন্তর্ভুক্ত নেই, এমন নাশিদ শোনা বৈধ।” (ফাতাওয়া নম্বর 636168)


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।