ঢাকা , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের চার বড় উদ্যোগ ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার লাওসে চীনের নতুন সামরিক ঘাঁটি, বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড হাইকোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও উদ্ধার মহড়া বাংলাদেশে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব, বিশ্বের জন্য সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী

ইসলামী নাশীদে মিউজিক কি হালাল?

হামদ, নাত ও ইসলামী নাশীদের সঙ্গে মিউজিক ব্যবহারের বিষয়ে আলেমদের মতামত এবং ফতোয়ার আলোকে সংক্ষিপ্ত আলোচনা।

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১০-০৯-২০২৬ ০৯:২৩:৪৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৯-২০২৬ ০৯:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১১১ বার পঠিত
ইসলামী নাশীদে মিউজিক কি হালাল? প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
(হানাফি ফিকহ ফেসবুক গ্রুপ থেকে সংগৃহীত)

প্রশ্ন : বর্তমানে গজল বা নাশীদকে ইসলামী সংগীত বলা হয় এবং এই ইসলামী সংগীতের নামে অনেক শিল্পী সেই সংগীতে মিউজিক ব্যবহার করে। এর মধ্যে বাংলাদেশের অনেক পরিচিত মুখ রয়েছে। এই ব্যাপারে শরীয়তের বিধান কী?

উত্তর : বাদ্য-বাজনা শোনা নাজায়েয। তাই হামদ-নাতের সাথে বাদ্য-বাজনা থাকলে ঐ হামদ-নাত শোনা জায়েয হবে না। এছাড়া হামদ-নাত, গজলের সাথে এটা যুক্ত করা বেয়াদবিও বটে। তাই এ থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। তবে হামদ-নাত, গজল যদি সম্পূর্ণ বাজনা ও মিউজিক মুক্ত হয় এবং তার কথা যদি সহীহ হয়, শরীয়তের কোনো আকীদা বা নির্দেশের পরিপন্থী না হয় তাহলে তা বলা ও শোনা জায়েয।

উল্লেখ্য যে, যারা হামদ-নাত বা ইসলামী ধাঁচের গজল পরিবেশন করবে তাদের দায়িত্ব হলো এতে স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখা এবং গানের সুরে তা না বলা। তদ্রূপ এসব ক্ষেত্রে অন্যদের পরিভাষা যেমন কনসার্ট, গান ইত্যাদি শব্দও পরিহার করা উচিত। [মাসিক আলকাউসার, ডিসেম্বর ২০১৮]
সহীহ বুখারী, হাদীস ৫৫৯০; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ৩৬৮৫; মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস ৬৯০৮; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ৪/৩৪৫; ফাতহুল কাদীর ৬/৪৮১; বাহরুর রায়েক ৭/৮৮; ইসলাম আওর মূসিকী, মুফতী মুহাম্মাদ শফী রাহ.

পাকিস্তানের প্রসিদ্ধ দ্বীনি বিদ্যাপীঠ জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বানূরী টাউন, করাচীর ফতোয়ায় বলা হয়েছে—

“মিউজিক এবং বাদ্যযন্ত্র তৈরি করা, ব্যবহার করা ও শোনা—সবই নাজায়েজ ও হারাম। তা সাধারণ গানের সাথে হোক কিংবা হামদ-নাতের সাথে। অতএব, কোনো নাত বা ইসলামী নাশীদের সাথে যদি মিউজিক সংযুক্ত থাকে, তাহলে তা পাঠ করাও নাজায়েজ, আর তা শোনাও নাজায়েজ।

তদ্রূপ, মিউজিক চাই বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে তৈরি হোক কিংবা মুখে মুখে অনুকরণ করে তৈরি করা হোক—উভয় পদ্ধতিতেই নাতের সাথে যুক্ত করা বৈধ নয়; বরং নাতে মিউজিক ব্যবহার নবী কারীম ﷺ-এর পবিত্র নামের সাথে বেয়াদবির শামিল।’’ (ফাতাওয়া নম্বর 144107200945)

দারুল উলূম দেওবন্দের ফতোয়ায় এসেছে, “যে নাশিদে (নাতে) সঙ্গীত বা বাদ্যযন্ত্রের মিশ্রণ থাকে, তা শরীয়তের দৃষ্টিতে শোনা বৈধ নয়। পক্ষান্তরে, যে নাশিদ সঙ্গীত থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত এবং যাতে অশ্লীলতা, প্রেমমূলক কবিতা কিংবা পর-নারীর কণ্ঠস্বর অন্তর্ভুক্ত নেই, এমন নাশিদ শোনা বৈধ।” (ফাতাওয়া নম্বর 636168)


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।