ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অনেকেই জানেন। তবে অনেক সময় উপেক্ষিত থেকে যায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—পরোক্ষ ধূমপান। একজন ব্যক্তি ধূমপান করলে তার আশপাশে থাকা মানুষও ধোঁয়ার সংস্পর্শে আসে, যা তাদের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
পরোক্ষ ধূমপান কী?
ধূমপায়ীর নিঃশ্বাস থেকে বের হওয়া ধোঁয়া এবং জ্বলন্ত সিগারেট, বিড়ি বা তামাকজাত পণ্য থেকে নির্গত ধোঁয়া অন্যরা অনিচ্ছাকৃতভাবে গ্রহণ করলে তাকে পরোক্ষ ধূমপান বলা হয়।
শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে থাকে
শিশুদের শ্বাসতন্ত্র এখনও বিকাশমান থাকায় তারা পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল। এতে শ্বাসকষ্ট, কাশি বা শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
প্রাপ্তবয়স্কদেরও ক্ষতি হতে পারে
অতিরিক্ত মাত্রায় পরোক্ষ ধূমপানের কারণে হৃদ্রোগ, ফুসফুসের সমস্যা এবং ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।
ঘরের ভেতর ধূমপান বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ
বন্ধ কক্ষ, বাসা বা যানবাহনের ভেতর ধূমপান করলে ধোঁয়া দীর্ঘ সময় বাতাসে থেকে যেতে পারে। ফলে আশপাশের সবাই অনিচ্ছাকৃতভাবে তা গ্রহণ করতে বাধ্য হন।
অন্যদের কথা বিবেচনা করুন
ধূমপানের অভ্যাস থাকলেও জনসমাগমস্থল, শিশুদের আশপাশ বা পরিবারের সদস্যদের সামনে ধূমপান থেকে বিরত থাকা উচিত। এতে অন্যদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো সম্ভব।
ধূমপান থেকে বিরত থাকা উচিত। দিনশেষে ধূমপায়ীদের অন্তত অন্যদের ধোঁয়ার ক্ষতি থেকে রক্ষা করার বিষয়ে সচেতন হওয়া একান্ত প্রয়োজন।