ঢাকা , রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ , ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের চার বড় উদ্যোগ ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার লাওসে চীনের নতুন সামরিক ঘাঁটি, বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড হাইকোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও উদ্ধার মহড়া বাংলাদেশে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব, বিশ্বের জন্য সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ৩৫৩ জন আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ

আল মাখা দখলের দাবি হুথিদের, বাড়ছে বাব আল মান্দেব নিয়ে শঙ্কা

মোচা দখল হলে লোহিত সাগরের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১০-০৯-২০২৬ ০৪:৫৩:৫০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৯-২০২৬ ০৪:৫৩:৫০ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৭৮ বার পঠিত
আল মাখা দখলের দাবি হুথিদের, বাড়ছে বাব আল মান্দেব নিয়ে শঙ্কা সংগৃহীত ছবি
 

লোহিত সাগরের উপকূলীয় শহর আল মাখা দখলে নেওয়ার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিন ইয়েমেনি সরকারি কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, দাবিটি সত্য হলে এটি হুথিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এবং বাব আল মান্দেব প্রণালির নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
 

নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক উলফগাং পুস্তাই আল জাজিরাকে বলেছেন, ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হলেও ইয়েমেনের ভেতরে তাদের সামরিক অগ্রযাত্রায় এর বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। তার মতে, হুথিদের ওপর ইরানের যথেষ্ট প্রভাব থাকলেও তারা শুধু ইরানের প্রক্সি হিসেবে কাজ করে না। নিজেদের স্বার্থ ও লক্ষ্য বিবেচনায় নিয়েই তারা সামরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে।
 

হুথিদের ওপর চাপ বাড়াতে সৌদি আরবের মিত্ররাও তৎপর রয়েছে। সৌদি ভূখণ্ডে হুথিদের হামলা অব্যাহত থাকলে তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইরানকে সতর্ক করেছে পাকিস্তান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রয়োজনে সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তিও কার্যকর হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
 

পুস্তাইয়ের মতে, পাকিস্তান ও তুরস্ক যৌথভাবে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করলে তেহরানের নেতৃত্বের ওপর কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। তবে এর মাধ্যমে হুথিদের সামরিক কার্যক্রমে বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা সীমিত।
 

তিনি বলেন, আল মাখা বা মোচা দখলের খবর সত্য হলে হুথিদের জন্য এটি উল্লেখযোগ্য সামরিক সাফল্য হবে। একই সঙ্গে তারা যদি তাইজ ও আল মাখার মধ্যকার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পারে, তাহলে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী বড় ধরনের চাপের মুখে পড়বে।
 

বিশ্লেষকের মতে, হুথিরা মোচা নিয়ন্ত্রণে নিতে পারলে লোহিত সাগরের তীরে ইয়েমেনের প্রায় পুরো উপকূল তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে। এতে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল মান্দেব প্রণালির ওপর প্রভাব বিস্তারের সুযোগও বাড়বে।
 

পুস্তাই আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির তুলনায় বাব আল মান্দেব অনেক সরু। হরমুজের প্রস্থ প্রায় ৫০ কিলোমিটার হলেও বাব আল মান্দেবের প্রস্থ প্রায় ২০ কিলোমিটার। ফলে হুথিরা চাইলে ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের পাশাপাশি কামান ব্যবহার করেও এই পথে চলাচলকারী জাহাজে হামলার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
 

এ ধরনের পরিস্থিতি শুধু সৌদি আরবের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক নৌ বাণিজ্যের জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
 

তবে হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকা দীর্ঘদিন ধরে বাইরের সহায়তা থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন। নিজেদের হাতে থাকা অস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা ব্যবহার করেই তারা দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চালিয়ে আসছে। ফলে ইরানের ওপর সৌদি মিত্রদের চাপ বাড়লেও হুথিদের সামরিক কার্যক্রম দ্রুত থামানো কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।