বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ঐতিহাসিক ‘সিইপিএ’ চুক্তি স্বাক্ষর
আগামী ৪ আগস্ট ঢাকায় স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সমন্ব্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ), যার ফলে কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ৩০-০৭-২০২৬ ১০:৪১:০৭ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩০-০৭-২০২৬ ১০:৪১:০৭ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৩৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে ‘সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি’ বা সিইপিএ স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৪ আগস্ট ঢাকায় এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
বুধবার (২৯ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনার জন্য বাংলাদেশের একটি বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদল বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়া সফরে রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের দলও ঢাকা আসছেন। এর আগে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী কিম জং-ক্বান টেলিফোনে দীর্ঘ আলোচনা করেন, যা অত্যন্ত ইতিবাচক হয়েছে বলে জানা গেছে।
সিইপিএ চুক্তিতে যেসব সুবিধা পাবে বাংলাদেশ:
১. শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার: তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ ও পাটপণ্যসহ প্রধান রপ্তানি পণ্যগুলো দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।
২. এলডিসি উত্তর সুবিধা: স্বল্পোন্নত দেশের (LDC) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের পরও এই বাণিজ্যিক সুবিধা বহাল থাকবে।
৩. বিনিয়োগ বৃদ্ধি: বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের পথ সুগম হবে।
৪. সেবা খাতে সুযোগ: আইটি, প্রকৌশল, শিক্ষা ও আর্থিক সেবা খাতে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার বাজার উন্মুক্ত হবে।
৫. সহজ কাস্টমস প্রক্রিয়া: পণ্য দ্রুত খালাস ও ডিজিটাল কাস্টমস ব্যবস্থার মাধ্যমে আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকরা বিশেষ সুবিধা পাবেন।
বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে বার্ষিক প্রায় ১.৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্য রয়েছে। তবে এতে বাংলাদেশের প্রায় ৪১১ মিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি বিদ্যমান। সিইপিএ চুক্তি কার্যকর হলে রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে এই ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। চুক্তিতে পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক ও কপিরাইট সুরক্ষার মতো বিষয়গুলোকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।