রাজধানীর মুগদা ও খিলগাঁও থানার পৃথক দুই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও হবিগঞ্জ ৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। একই সঙ্গে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। তবে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা বিচারাধীন থাকায় এখনই কারামুক্তি পাচ্ছেন না তিনি।
বুধবার ২৯ জুলাই বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ মুগদা থানার হত্যাচেষ্টা এবং খিলগাঁও থানার হত্যা মামলায় পূর্বে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন মঞ্জুর করেন।
ব্যারিস্টার সুমনের আইনজীবী এম লিটন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, খিলগাঁও থানার হত্যা মামলা এবং মুগদা থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় আগে জারি করা রুল চূড়ান্ত করে হাইকোর্ট তার মক্কেলকে জামিন দিয়েছেন।
আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম লিটন আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইছা।
এদিকে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গত ২২ জুলাই হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করলে বিচারপতি রেজাউল হকের চেম্বার আদালত তা নাকচ করে জামিন বহাল রাখেন।
কারামুক্তির বিষয়ে আইনজীবী এম লিটন আহমেদ বলেন, ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় জামিন প্রক্রিয়া প্রায় শেষ হলেও বাকি পাঁচটি মামলায় হাইকোর্টে রুল শুনানি বাকি রয়েছে। ফলে সব মামলায় প্রয়োজনীয় জামিন না পাওয়া পর্যন্ত তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর রাতে রাজধানীর মিরপুর ৬ এলাকা থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রথমে তাকে মিরপুর মডেল থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে রাজধানীর খিলগাঁও, আদাবর এবং হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানায় দায়ের হওয়া হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ মোট সাতটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
ডেস্ক রিপোর্ট