হারানো বৈশ্বিক নেতৃত্ব ফিরে পেতে পশ্চিমারা মরিয়া: পুতিন
ব্রিকসের অর্থনৈতিক অগ্রগতির পরিসংখ্যান তুলে ধরে পশ্চিমাদের সমালোচনা রুশ প্রেসিডেন্টের
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১২-০৯-২০২৬ ০৯:০৩:৩১ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১২-০৯-২০২৬ ০৯:৪৫:৩৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০৫ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, পশ্চিমা দেশগুলো যেকোনো উপায়ে, এমনকি অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করেও হারানো বৈশ্বিক নেতৃত্ব ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, বৈশ্বিক অর্থনীতির কাঠামো দ্রুত বদলে যাওয়ায় নতুন নতুন প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে এবং এর মধ্যেই পশ্চিমা দেশগুলো নিজেদের পুরনো অবস্থান পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। ব্রিকস বিজনেস ফোরামে দেওয়া বক্তব্যে পুতিন পশ্চিমা দেশগুলোর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। তিনি শিল্প ও সরবরাহ অবকাঠামোয় হামলা, পাইপলাইন ধ্বংস, আন্তর্জাতিক পরিবহন করিডর বন্ধের চেষ্টা, সমুদ্রগামী জাহাজ জব্দ এবং নিজেদের স্বার্থের বাইরে থাকা দেশগুলোর বিরুদ্ধে সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞার হুমকির কথা উল্লেখ করেন।
ব্রিকসের অর্থনৈতিক অগ্রগতির তথ্য তুলে ধরে পুতিন বলেন, গত পাঁচ বছরে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের ৪০ শতাংশের বেশি এসেছে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলো থেকে। একই সময়ে জি৭ এর অবদান ছিল ২৯ শতাংশ। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রায় অর্ধেকও ব্রিকস সদস্যদের কাছ থেকে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি, যেখানে জি৭ এর অবদান ছিল ১৮ শতাংশ। রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা ব্রিকস দেশগুলোতে বসবাস করে এবং এসব দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। তাঁর মতে, সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে আরও স্থিতিশীল করতে ভূমিকা রাখছে।
রাশিয়ার ওপর ৩০ হাজারের বেশি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে দাবি করে পুতিন বলেন, এসব চাপের মধ্যেও মস্কো তার জাতীয় সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী করেছে এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়িয়েছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে রাশিয়ার জিডিপি ১০ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি ব্রিকসের নতুন বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম গঠনে রাশিয়ার উদ্যোগকে অন্য সদস্যরা সমর্থন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন পুতিন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
ব্রিকসের অর্থনৈতিক অগ্রগতির তথ্য তুলে ধরে পুতিন বলেন, গত পাঁচ বছরে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের ৪০ শতাংশের বেশি এসেছে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলো থেকে। একই সময়ে জি৭ এর অবদান ছিল ২৯ শতাংশ। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রায় অর্ধেকও ব্রিকস সদস্যদের কাছ থেকে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি, যেখানে জি৭ এর অবদান ছিল ১৮ শতাংশ। রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা ব্রিকস দেশগুলোতে বসবাস করে এবং এসব দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। তাঁর মতে, সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে আরও স্থিতিশীল করতে ভূমিকা রাখছে।
রাশিয়ার ওপর ৩০ হাজারের বেশি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে দাবি করে পুতিন বলেন, এসব চাপের মধ্যেও মস্কো তার জাতীয় সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী করেছে এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়িয়েছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে রাশিয়ার জিডিপি ১০ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি ব্রিকসের নতুন বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম গঠনে রাশিয়ার উদ্যোগকে অন্য সদস্যরা সমর্থন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন পুতিন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।