চবির শাটলের মালবগির দরজা বন্ধ; ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা
সাইকেল ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পরিবহনে চরম দুর্ভোগ, দরজা খুলে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা
- আপলোড সময় : ২৭-১০-২০২৬ ১০:৫১:৩৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৭-১০-২০২৬ ১০:৫২:২৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৮ বার পঠিত
ছবি: প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাটল ট্রেনের একটি মালবগির দরজা গত সপ্তাহ থেকে ঝালাই করে বন্ধ করে দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে সাইকেলসহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পরিবহনের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ছেন তাঁরা। এ পরিস্থিতিতে মালবগির দরজা খুলে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষার্থীরা।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত বুলি কালের দিগন্তের চবি প্রতিনিধিকে বলেন, “বাসা থেকে সাইকেল নিয়ে টিউশনে যাওয়ার জন্য বের হয়েছি। স্টেশনে এসে দেখি মালবগি বন্ধ। অন্য বগিতে সাইকেল রাখলে অন্য যাত্রীদের অসুবিধা হয়। আবার বাসায় সাইকেল রেখে আসতে গেলে শাটল মিস হয়, ফলে টিউশনও মিস করতে হয়।”
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী যাতায়াতের সুবিধার্থে সাইকেল ব্যবহার করেন। তাঁদের অনেকে সাইকেল নিয়ে শহরে যাতায়াত করেন। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ শহর থেকে ক্যাম্পাসে কিংবা ক্যাম্পাস থেকে শহরে খাট, টেবিলসহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পরিবহন করেন। শাটল ট্রেনের মালবগির দরজা বন্ধ থাকায় এসব সামগ্রী পরিবহনে তাঁদের নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, শাটল ট্রেনের মালবগি তাঁদের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু দরজা ঝালাই করে বন্ধ করে দেওয়ায় সেই সুবিধা থেকে তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বাড়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পরিবহনও কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে শাটল ট্রেনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অবহিত করা হলে তাঁরা প্রক্টর অফিসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রশাসন যেন রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে মালবগির দরজা পুনরায় খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। এতে শিক্ষার্থীদের সাইকেল ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পরিবহনের সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে তাঁরা আশা করছেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।