ইন্দোনেশিয়ায় ৬.৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
উত্তর-পূর্ব জাভার কাছে গভীর ভূমিকম্প, হতাহত নেই
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১২-০৯-২০২৬ ০৯:১৫:০৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১২-০৯-২০২৬ ০৯:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৮৬ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
ইন্দোনেশিয়ার উত্তর-পূর্ব জাভা প্রদেশের তেলুকনাগা এলাকার কাছে ৬ দশমিক ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোরে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৩৫৮ দশমিক ৬ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ইউএসজিএস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর ৪টা ২৩ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার জাভা অঞ্চলের কাছে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৬। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ৩৫৮ দশমিক ৬ কিলোমিটার, যা ভূপৃষ্ঠের অনেক নিচে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল উত্তর-পূর্ব জাভা প্রদেশের তেলুকনাগা এলাকার কাছাকাছি। শক্তিশালী মাত্রার ভূমিকম্প হলেও এর গভীরতা বেশি হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ভূমিকম্পের কারণে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ।
দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে। দেশটির বিভিন্ন দ্বীপ ও উপকূলীয় এলাকায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। তবে এবারের ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল গভীরে হওয়ায় তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা কম থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নতুন কোনো কম্পন বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে জানা যেতে পারে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৬। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ৩৫৮ দশমিক ৬ কিলোমিটার, যা ভূপৃষ্ঠের অনেক নিচে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল উত্তর-পূর্ব জাভা প্রদেশের তেলুকনাগা এলাকার কাছাকাছি। শক্তিশালী মাত্রার ভূমিকম্প হলেও এর গভীরতা বেশি হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ভূমিকম্পের কারণে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ।
দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে। দেশটির বিভিন্ন দ্বীপ ও উপকূলীয় এলাকায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। তবে এবারের ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল গভীরে হওয়ায় তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা কম থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নতুন কোনো কম্পন বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে জানা যেতে পারে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।