ঢাকা , মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ , ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) , ২৮ সফর ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
মানবিকে অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী ফেল, বিজ্ঞানে পাসের হার ৮০ শতাংশের ব ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এসএসসি পাসের হার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ সৌদি আরব আগুন ১৭ জনের মৃত্যু: ৭ জনই নওগাঁর আত্রাইয়ের ৪২ ঋণখেলাপীর অর্থ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক ৮ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে কাল থেকে চালু হচ্ছে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন গ্রামের মানুষকে শহরমুখী হতে হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দুই দেশের সরকারপ্রধান একসঙ্গে বসলে সমস্যার সমাধান সম্ভব: হাইকমিশনার নাজিরগঞ্জে অনুমতি ছাড়াই চলছে অবৈধ খেয়া নৌকা টোল আদায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত দারুল উলুম দেওবন্দে ‘গঙ্গা জল’ ঢালার ঘোষণা হিন্দু রক্ষা দলের হেফাজত আমিরের কাছে দোয়া চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ দিনের সফরে দক্ষিণ সুদান ও আবেই গেলেন সেনাপ্রধান চ্যাটজিপিটির ফ্রি ব্যবহারকারীদের জন্য মেসেজ লিমিট তুলে নিল ওপেনএআই বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে দম্পতি র‌্যাব নাম পরিবর্তন হয়ে আসছে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন নিহত বগুড়ায় বাসচাপায় ৬ শ্রমিক নিহত, আহত ১৫ পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে দেড় হাজার মসজিদ থেকে মাইক অপসারণ থাইল্যান্ডে বন্দুকধারীর গুলিতে শিক্ষক নিহত, হামলাকারীর আত্মহত্যা

তোশক রোদে দিলে কী লাভ? প্রচলিত এই রীতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৭-০৬-২০২৬ ১২:১৪:৪১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৬-২০২৬ ১২:১৬:১৫ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ২৭ বার পঠিত
তোশক রোদে দিলে কী লাভ? প্রচলিত এই রীতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

তোশক বা গদি নিয়মিত রোদে দেওয়া বহুদিনের পরিচিত একটি অভ্যাস। সঠিকভাবে রোদে দিলে তোশকের ভেতরে জমে থাকা আর্দ্রতা কমে, দুর্গন্ধ হ্রাস পায় এবং ধুলিকণাজনিত কিছু অ্যালার্জির ঝুঁকি কমতে পারে। তবে শুধু রোদে দিলেই সব জীবাণু বা ধুলিকণা সম্পূর্ণ দূর হয়ে যায়—এমন ধারণা সঠিক নয়।

ঘুমানোর সময় মানুষের শরীর থেকে ঘাম, আর্দ্রতা ও মৃত চামড়ার ক্ষুদ্র কণা তোশকে জমা হয়। সময়ের সঙ্গে এসব উপাদান ধুলিকণা, ডাস্ট মাইটস ও দুর্গন্ধের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। রোদে দিলে তোশকের ভেতরের আর্দ্রতা কমে এবং পরিবেশ অপেক্ষাকৃত শুষ্ক হওয়ায় ডাস্ট মাইটসের বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।

তবে সূর্যের আলো তোশকের গভীরে পুরোপুরি প্রবেশ করতে পারে না। ফলে গভীরে থাকা জীবাণু, ছত্রাক বা ডাস্ট মাইটস সম্পূর্ণ নির্মূল হয় না। এ কারণে শুধু রোদে দেওয়া নয়, বিছানার চাদর নিয়মিত ধোয়া, তোশক পরিষ্কার রাখা এবং ঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাও জরুরি।

আর্দ্র পরিবেশে ডাস্ট মাইটস দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এটি অনেকের অ্যালার্জি, হাঁচি, নাক বন্ধ থাকা বা শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে। তাই তোশক ও বিছানা শুকনো রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

কয়েক মাস পরপর তোশক রোদে দেওয়া যেতে পারে। তবে মেমোরি ফোম বা ল্যাটেক্সজাতীয় কিছু তোশক দীর্ঘ সময় তীব্র রোদে রাখলে উপাদানের ক্ষতি হতে পারে। তাই প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুসরণ করাই উত্তম।

সব মিলিয়ে, তোশক রোদে দেওয়া একটি উপকারী অভ্যাস হলেও এটি পূর্ণাঙ্গ পরিষ্কার-পরিচর্যার বিকল্প নয়। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, চাদর ধোয়া এবং ঘরের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে রোদে দেওয়ার অভ্যাস যুক্ত হলে তোশক দীর্ঘদিন ভালো থাকে এবং স্বাস্থ্যকর ঘুমের পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়তা করে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।