ঢাকা , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬ , ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের চার বড় উদ্যোগ ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের অবস্থান পরিবর্তন: চাপের মুখে সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২০-০৬-২০২৬ ১১:৫৫:০১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-০৬-২০২৬ ১১:৫৫:০১ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৮৫ বার পঠিত
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের অবস্থান পরিবর্তন: চাপের মুখে সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’-এর শর্তে চুক্তির কথা বললেও শেষ পর্যন্ত সেই অবস্থান থেকে সরে এসে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। কয়েক মাস ধরে চলা উত্তেজনা ও সংঘাতের পর পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার চেয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশি বাস্তবসম্মত হয়ে ওঠে।
 

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ছিল অর্থনৈতিক চাপ। ইরান হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি করলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। তেলের দামের এই সম্ভাব্য উল্লম্ফন যুক্তরাষ্ট্রসহ বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারত, যা ওয়াশিংটনের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে।
 

এর পাশাপাশি সামরিক ব্যয়ও বড় চাপ তৈরি করে। ইরানের সঙ্গে সংঘাত বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়। বিভিন্ন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সরাসরি সামরিক ও অপারেশনাল কার্যক্রমে ইতোমধ্যে হাজার কোটি ডলারের বেশি ব্যয় হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে এই সংঘাত আফগানিস্তান বা ইরাক যুদ্ধের মতো ব্যয়বহুল রূপ নিতে পারত—যা রাজনৈতিকভাবে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।
 

আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপও এই সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইউরোপীয় মিত্ররা দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের পক্ষে অবস্থান নেয়, যাতে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি না হয়। মিত্রদের এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রকে আলোচনার টেবিলে ফেরার ক্ষেত্রে প্রভাবিত করে।
 

এছাড়া ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা কৌশল নিয়েও উদ্বেগ ছিল। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তেহরান শুধু হরমুজ প্রণালিই নয়, মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত অঞ্চলে অস্থিরতা ছড়িয়ে দিতে পারত। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে মার্কিন ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।
 

সবদিক বিবেচনায় নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন উপলব্ধি করে যে, সংঘাত দীর্ঘ হলে লাভের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণই বেশি হবে। অর্থনৈতিক ঝুঁকি, সামরিক ব্যয়, আন্তর্জাতিক চাপ এবং নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কা—এই সবগুলো কারণ মিলিয়েই শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসে সমঝোতার পথে হাঁটতে হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


নিউজটি আপডেট করেছেন : Kaler Diganta

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।