বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে নতুন মূল্যহার ঘোষণা করেছে সরকার। তবে নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের সুরক্ষায় আবাসিক লাইফ লাইন ও প্রথম ধাপের গ্রাহকদের জন্য আগের বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে জুন মাস থেকে পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম বাড়লেও ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত থাকছে। শনিবার (৬ জুন) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার অনুযায়ী পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিটের দাম ৭ টাকা থেকে বেড়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা হয়েছে, অর্থাৎ পাইকারি মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১৯.৮৫ শতাংশ। খুচরা পর্যায়ে গড় মূল্য ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৬৩ পয়সায়, যা ১৬.৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি। সঞ্চালন চার্জও প্রতি ইউনিটে ৩১ পয়সা থেকে ৩৯ পয়সায় উন্নীত হয়েছে।
তবে সরকার নিজ উদ্যোগে বিইআরসিতে আপিল করে ০-৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী আবাসিক লাইফ লাইন এবং ০-৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারী প্রথম ধাপের গ্রাহকদের বর্ধিত ট্যারিফের বাইরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। দেশের মোট বিদ্যুৎ গ্রাহকের প্রায় ৬৫ শতাংশ এই দুই শ্রেণির আওতায় পড়েন।
জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে দাম বাড়ায় সরকার নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে। পেট্রোল প্রতি লিটারে ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০ টাকা, অকটেন ১৪০ টাকা থেকে ১৪৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা হয়েছে। তবে গণপরিবহন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সরকারের মতে, ডিজেলের দাম না বাড়ানোয় গণপরিবহন ভাড়া ও নিত্যপণ্যের পরিবহন ব্যয়ে বাড়তি চাপ পড়বে না।
ডেস্ক রিপোর্ট