ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
শাহজালালে কর্মীদের বিরুদ্ধে যাত্রী হয়রানি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ কিনেমাস্টার বাংলাদেশিদের জন্য ওয়াটারমার্ক ছাড়া ব্যবহারের সুযোগ রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ যুক্ত করতে ভারনোভার চুক্তি ভারত-ইরান বাণিজ্য চুক্তির গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক ছায়েদুর রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সড়ক নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন ভাসমান এলএনজি স্থাপন: প্রধানমন্ত্রী কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা ঢাকা–আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের আশা প্রকাশ ট্রাম্পের নতুন বেতন কাঠামোয় মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা নবম পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরাও আসছেন নেপালে বন্যায় মৃত ৯৩৯, এক বাড়ি থেকেই উদ্ধার ২৩ লাশ ৪৫ বছর পর জিয়া হত্যার পুনঃতদন্তে নতুন সূত্র ইসলামকে ‘অন্য সব ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’ বলায় মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী ইরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা আদানির বিদ্যুৎ কমায় দেশজুড়ে লোডশেডিং তীব্র মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ৭০০ মিলিয়নে স্থির

গায়ানায় ১১৬ আরোহী নিয়ে ফেরিডুবি, জীবিত উদ্ধার ৬৭

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে চলছে তল্লাশি।
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২০-০৭-২০২৬ ১১:৪৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-০৭-২০২৬ ১১:৪৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৯৭ বার পঠিত
গায়ানায় ১১৬ আরোহী নিয়ে ফেরিডুবি, জীবিত উদ্ধার ৬৭ ছবি: সংগৃহীত
ভয়াবহ সামুদ্রিক বিপর্যয়ের সাক্ষী হলো দক্ষিণ আমেরিকার দেশ গায়ানা। দেশটির উপকূলে ১১৬ জন যাত্রী ও কর্মী নিয়ে একটি ফেরি ডুবে গেছে। এখন পর্যন্ত ১৫ শিশুসহ মোট ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কোস্টগার্ড, বিমান বাহিনী, ব্যক্তিগত বিমান এবং স্থানীয় জেলে ও স্বেচ্ছাসেবীরা এই উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছেন।
 
গত শনিবার দুপুর সোয়া ৩টার দিকে গায়ানার রাজধানী জর্জটাউন থেকে রওনা হয় ‘এমভি বারিমা’ নামের নৌযানটি। তার উদ্দেশ্য ছিল ভেনেজুয়েলা সীমান্তের ঠিক কাছে, তেলসমৃদ্ধ এসেকুইবো অঞ্চলের পোর্ট কাইতুমা। কিন্তু রাত ১১টার কিছুক্ষণ পর মাঝসমুদ্রে থাকা অবস্থায় নৌযানটি থেকে একটি জরুরি বিপদসংকেত পাঠানো হয়। 
 
তারপরই যাত্রীদের উদ্ধারে ব্যাপক অভিযান শুরু হয়। দেশবাসীকে বাঁচাতে গায়ানা প্রতিরক্ষা বাহিনী, উপকূলরক্ষী ও বিমানবাহিনীর পাশাপাশি নিজেদের ব্যক্তিগত বিমান, মাছ ধরার নৌকা নিয়ে সাগরে ঝাঁপিয়ে পড়েন বেসামরিক স্বেচ্ছাসেবকেরা। 
 
রবিবার (১৯ জুলাই) এক বিবৃতিতে গায়ানার প্রধানমন্ত্রী মার্ক ফিলিপস জানান, সাগরে মানুষের জীবন বাঁচাতে অনুসন্ধান এলাকা ৪০০ বর্গ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ১,০৭০ বর্গ কিলোমিটার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জলপথের গতিপ্রকৃতি চেনা স্থানীয় জেলেদেরও এই উদ্ধারকাজে যুক্ত করা হয়েছে।
 
এদিকে ঠিক কী কারণে এত বড় বিপর্যয় ঘটল, তা নিয়ে চলছে অনুসন্ধান। তবে প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত যাত্রী বা পণ্যের বোঝাইয়ের মতো অবহেলার কোনো প্রমাণ মেলেনি। দেশটির গণপূর্ত মন্ত্রী হুয়ান এডগিল স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী জাহাজটি আইনি নিয়ম মেনেই চলাচল করছিল।
 
মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন, ‘জাহাজটির ইঞ্জিনে বা অন্য কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না। অতিরিক্ত পণ্য বা ওজনের কারণেও এটি ডুবেনি। মূলত সমুদ্রের প্রচণ্ড ও আকস্মিক জোয়ারের তোড়েই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে।’
 
সরকারি তথ্যমতে, ৩৯৭ জন যাত্রী ও ২৮৪ টন পণ্য পরিবহনের ক্ষমতাসম্পন্ন নৌযানটি অনুমোদিত সীমার চেয়ে কম, অর্থাৎ ২৬৮ টন পণ্য বহন করছিল। এছাড়া জরুরি সুরক্ষার জন্য জাহাজটিতে ২৫০টি লাইফজ্যাকেট, দুটি লাইফবোট ও ছয়টি ইনফ্ল্যাটেবল (হাওয়ায় ফোলানো) ভেলাও মজুত ছিল। তবুও প্রকৃতির রুদ্ররূপের কাছে শেষ রক্ষা হয়নি জাহাজটির।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।