দগ্ধরা হলেন কাপড়ের দোকানের কর্মচারী মো. শাহীন (২৪), তার স্ত্রী মোছা. ফাহিমা আক্তার (২১) এবং তাদের ভাগনি হাফছা (৮)। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
হাসপাতালে শাহিনের সঙ্গে আসা তার সহকর্মী মো. জসিম জানান, শাহীন নতুন বাজার এলাকার ওই বাসায় স্ত্রী ও ভাগনিকে নিয়ে বসবাস করতেন। ভোরে তারা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পর ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকেই বিস্ফোরণ ও আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, শাহিনের শরীরের ৫০ শতাংশ, ফাহিমা আক্তারের ৪৫ শতাংশ এবং শিশু হাফছার ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে তিনি জানিয়েছেন।
ডেস্ক রিপোর্ট