ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের প্রকাশিত এক সামরিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বিশ্ব ঔদ্ধত্যের অপরাধের জবাবে’ ইরানের সেনাবাহিনী বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমানঘাঁটির বিমান হ্যাঙ্গার, বিমান পার্কিং এলাকা এবং জ্বালানি ট্যাংকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এছাড়া বাহরাইনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ সেতুও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ ঈসা বিমানঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে, বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে আসছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।
ইরানের সামরিক বাহিনী তাদের বিবৃতিতে বলেছে, “আমাদের মাতৃভূমি রক্ষার সামরিক দায়িত্ব পালন করতে পেরে আমরা গর্বিত।”
তবে হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না- এ বিষয়ে ইরানের বিবৃতিতে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে বাহরাইন বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত বা অস্বীকার করে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এমন হামলার দাবি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া ভবিষ্যতে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে। সূত্র: আল-জাজিরা
ডেস্ক রিপোর্ট