দক্ষিণাঞ্চলের ১১টি নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং বিভিন্ন এলাকায় জনজীবনে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। একই সঙ্গে বরিশাল নগরীর কীর্তণখোলা নদীর পানিও বিপৎসীমা অতিক্রম করায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে কয়েকটি সড়কে পানি প্রবেশ করেছে, সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতার।
নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল ও চর এলাকার বহু স্থান পানির নিচে চলে গেছে। এসব এলাকায় কৃষিজমি, বসতভিটা এবং স্থানীয়দের দৈনন্দিন চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নদীতীরবর্তী এলাকায় পরিস্থিতি আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এদিকে বরিশাল নগরীর পাশ দিয়ে প্রবাহিত কীর্তণখোলা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় ড্রেনের মাধ্যমে নগরীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পানি উঠে এসেছে। এতে যান চলাচল ও সাধারণ মানুষের চলাফেরায় সাময়িক ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নদীর পানির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং পানি আরও বৃদ্ধি পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও পরিস্থিতির দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট