মহেশখালীর দুর্গম পাহাড়ে অভিযানে অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধারের দাবি করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড
- আপলোড সময় : ১৭-০৭-২০২৬ ১১:২৪:৪৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৭-০৭-২০২৬ ১১:২৪:৪৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৪৫ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধারের দাবি করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ সময় ইমাম হোসেন মিন্টু (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে, যাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কথিত ‘মিন্টু বাহিনীর’ প্রধান হিসেবে উল্লেখ করেছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে পরিচালিত অভিযানের তথ্য বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
কোস্ট গার্ডের ভাষ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলী সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র গোপনে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করছে। সংস্থাটির দাবি, ওই চক্রের সদস্যরা অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা, জলদস্যুতা, ডাকাতি এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িত।
এর পরিপ্রেক্ষিতে শাহপরীর দ্বীপ, টেকনাফ, বাহারছড়া, ইনানী, কক্সবাজার ও মহেশখালী স্টেশনের কোস্ট গার্ড সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে একটি আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি দেশীয় একনলা বন্দুক, নয়টি দেশীয় পিস্তল, একটি বিদেশি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ২০ রাউন্ড গুলি, ১২ রাউন্ড কার্তুজ, চার রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, একটি দেশীয় অস্ত্র, তিন লিটার দেশীয় মদ এবং আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড। ঘটনাস্থল থেকে ইমাম হোসেন মিন্টুকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ডের দাবি, মহেশখালীর হোয়ানক এলাকার বাসিন্দা ইমাম হোসেন মিন্টুর বিরুদ্ধে ১৫টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র তৈরি ও বিক্রি, জলদস্যুতা, ডাকাতি এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বা তার আইনজীবীর কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
কোস্ট গার্ড সদর দপ্তর জানিয়েছে, চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও আটকের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তি ও জব্দ করা আলামতের বিষয়ে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।