ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যখন বিশ্বজুড়ে শান্তির আশা জাগছে, ঠিক তখনই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এক ফোনালাপ নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) অনুষ্ঠিত এই ফোনালাপে কোনো সরকারি পদে না থাকা সত্ত্বেও মার্কিন বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্কের অংশগ্রহণ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর এটিই ছিল ট্রাম্প ও মোদির মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক কথোপকথন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দেশের শীর্ষ নেতার এই সংবেদনশীল আলোচনায় ইলন মাস্কের উপস্থিতি অত্যন্ত অস্বাভাবিক। যদিও হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এই আলোচনাকে ‘গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, তবে যুদ্ধের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে একজন বেসরকারি নাগরিকের সংশ্লিষ্টতা কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, গত বছর সরকারের সাথে মাস্কের দূরত্ব তৈরি হলেও এই ঘটনার মাধ্যমে ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্কের বরফ গলার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
ফোনালাপ চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী মোদি বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতার স্বার্থে হরমুজ প্রণালি নিরাপদ ও সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, বৈশ্বিক শান্তি ও অর্থনৈতিক কল্যাণের জন্য এই নৌপথের নিরাপত্তা বজায় রাখা অপরিহার্য। তবে মাস্ক এই আলোচনায় কোনো সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন কি না বা ঠিক কী কারণে তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি ।
(সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস)
ডেস্ক রিপোর্ট