মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের ‘সড়ক সড়ক সড়ক চাই, নিরাপদ সড়ক চাই’, ‘দাবি মোদের একটাই, নিরাপদ সড়ক চাই’, ‘এ মুহূর্তে দরকার, ৬ লেনের সংস্কার’, ‘ওয়ান, টু, থ্রি, ফোর, ওয়ান লাইন নো মোর’ ও ‘৬ লাইনের সড়ক দে, টালবাহানা বাদ দে’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।
পেকুয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে যাতায়াত এখন নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে। যেখানে নিরাপদে পৌঁছানোর কথা, সেখানে অনেককে প্রাণ হারিয়ে ফিরতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দ্রুত মহাসড়কটি ৬ লেনে উন্নীত করতে হবে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে নিরাপদ করার উদ্যোগ নিতে হবে। যেখানে প্রয়োজন, সেখানে ফ্লাইওভার নির্মাণসহ পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে। তিনি বলেন, পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও এ মহাসড়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য আদনান শরীফ বলেন, এ মহাসড়কের ওপর শত কোটি টাকার বাণিজ্য নির্ভরশীল। অথচ দীর্ঘদিনের সরকারি উদাসীনতায় সড়কটি যেন মৃত্যুঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পরিণত হয়েছে। নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন এবং ৬ লেনের কাজ শুরু করার দাবি জানান তিনি।
অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন। চবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জালাল সিদ্দিকী বলেন, সরকার এশিয়ান হাইওয়ে প্রকল্প হাতে নিলেও তা বাস্তবায়নে সময় লাগবে। এর মধ্যে প্রাণহানি এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিকল্প সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি ৬ লেনের কাজ দ্রুত শুরু করা প্রয়োজন।
ডেস্ক রিপোর্ট