কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও দুবাইয়ের দ্য পাম এলাকায় ড্রোন হামলা
- আপলোড সময় : ২৮-০২-২০২৬ ১১:২৫:০২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৮-০২-২০২৬ ১১:২৫:০২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৭ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। বার্তাসংস্থা এএফপি ও আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ড্রোন হামলায় কয়েকজন কর্মী সামান্য আহত হয়েছেন এবং সীমিত অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে। সরকারি বিবৃতিতে সংস্থাটির মুখপাত্র আব্দুল্লাহ আল-রাজি বলেন, হামলার পরপরই জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, দুবাই–এর দ্য পাম এলাকায় একটি হোটেলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এএফপির সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যায় শহরের আকাশে বিকট শব্দ শোনা যায় এবং ধোঁয়ার কুণ্ডলি দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একটি ড্রোন সদৃশ বস্তু হোটেলে আঘাত হানতে দেখা গেছে। আঘাতের সঙ্গে সঙ্গে আগুনের ঝলকানি ও জোরালো বিস্ফোরণ ঘটে।
ঘটনার আগে শনিবার সকালে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যৌথ হামলা চালায় বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন ঘাঁটি ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা শুরু করে। আবুধাবি ও দুবাইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য স্থানেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, দেশটির ৩১ প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২০টি প্রদেশ হামলার শিকার হয়েছে। সংস্থাটির মুখপাত্র মোজতবা খালেদি বলেন, এখন পর্যন্ত ২০টির বেশি প্রদেশে হামলার তথ্য পাওয়া গেছে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে বলেন, ইরানে পরিচালিত ইসরায়েলি ও মার্কিন অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব স্থাপনা এখন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’।
অন্য এক প্রতিবেদনে দক্ষিণ ইরানের একটি স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বহু শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার দাবি করা হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং বিভিন্ন পক্ষের দাবির স্বাধীন যাচাই এখনো সম্পন্ন হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংঘাত আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।