মেয়র বলেন, নৌপরিবহন উপদেষ্টার বক্তব্যের পর কিছু পত্রিকা লিখেছে, মেয়ররা নাকি চাঁদার ভাগ পেতেন। আমি তা দেখেই তাৎক্ষণিক উনাকে ফোন করি। তিনি বলেন, অতীতে যারা মেয়র ছিলেন তারা জড়িত ছিলেন। তাহলে নাম বলুন, কারা তারা? প্রতিদিন যদি দুই–আড়াই কোটি টাকা চাঁদা ওঠে, মাসে ৬০ কোটি, বছরে ৭২০ কোটি টাকা হয়। অথচ সিটি করপোরেশনকে ন্যায্য ২০০ কোটি টাকার হোল্ডিং ট্যাক্স দেওয়া হয় না। মেয়র বলেন, বন্দরের ভারী মালবাহী ট্রাক–ট্রেইলারের চাপ সড়কের ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে।
আমার রাস্তাগুলো ৭–৮ টন বহনের উপযোগী। সেখানে ২০–৪০ টনের গাড়ি চলছে। প্রতি বছর ৪০০–৫০০ কোটি টাকা শুধু রাস্তায় খরচ করতে হয়। ন্যায্য ট্যাক্স না দিয়ে উল্টো চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হচ্ছে, কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
ডেস্ক রিপোর্ট