জনঅসন্তোষের আশঙ্কায় হুথিবিরোধী যুদ্ধে ইসরায়েলকে চান না সৌদি যুবরাজ
হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নিতে ইসরায়েলের আগ্রহ; সৌদি জনমনে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় আপত্তি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৪-১০-২০২৬ ১০:০৫:২৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৪-১০-২০২৬ ১০:০৫:২৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের অভিযানে যোগ দিতে চেয়েছিল ইসরায়েল। তবে দেশের মানুষের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় সেই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ এ তথ্য জানিয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রিয়াদের কাছে প্রস্তাব পাঠান ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইরানসমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি অভিযানে অংশ নেওয়ার অনুমতি চান তিনি।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আরেকটি সূত্র হারেৎজকে জানিয়েছে, ইসরায়েলের আশা ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের দুই মিত্রের সামরিক সহযোগিতা আঞ্চলিক সম্পর্ক জোরদার করবে। ভবিষ্যতে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তির পথও খুলবে।
তবে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের খবর নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনো মন্তব্য করেনি। সৌদি আরবের ডিফ্যাক্টো নেতা বিন সালমান যুবরাজের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীও। ফলে তার অনুমোদন ছাড়া ইসরায়েলের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা কম।
ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। সাম্প্রতিক মাসগুলোয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দেশটিকে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দিতে উৎসাহিত করেছেন।
রিয়াদের অবস্থান হলো, সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাসহ ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান প্রয়োজন। অন্যদিকে সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রচারে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ঠেকানোর অঙ্গীকার করেছেন নেতানিয়াহু।
হুথিদের একের পর এক হামলায় সৌদির বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ার মধ্যেই প্রস্তাবটির খবর এল। রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শনিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন বিমান সংস্থাও ফ্লাইট বাতিল করেছে।
নেতানিয়াহু অবশ্য বারবার রিয়াদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্য জানিয়েছেন। হারেৎজের ভাষ্য, ২০২৩ সালের শরতে দুই দেশ চুক্তির কাছাকাছি ছিল। ওই বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার আগের সপ্তাহগুলোয় সংঘাত না বাড়ানোর চেষ্টার একটি কারণ ছিল এটি।
অন্যদিকে, ওয়াশিংটন পোস্টের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের দাবি, হামাসের পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রথম সতর্ক করেছিলেন সৌদি যুবরাজ। কিন্তু নেতানিয়াহু সেই সতর্কবার্তার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেননি।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।