পুরোনো ফোনকে বানান দীর্ঘস্থায়ী
ব্যাটারির যত্ন, স্টোরেজ ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত আপডেটের মাধ্যমে পুরোনো স্মার্টফোনের কার্যক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৩-১০-২০২৬ ১১:২৭:৩৭ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৩-১০-২০২৬ ১১:২৭:৩৭ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
টেক দুনিয়ায় নিত্যনতুন ফোনের চমক থামছেই না। এই তো সেদিন বাজারে এলো অ্যাপলের ফ্ল্যাগশিপ আইফোন সিরিজ- যার মধ্যে দৃষ্টিনন্দন ফোল্ডিং মডেলগুলোর দাম ছোঁয়াচ্ছে প্রায় ২,০০০ ডলারে! প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি, চোখধাঁধানো ক্যামেরা আর দারুণ সব ফিচার দেখে কার না ইচ্ছা করে নতুন একটা ডিভাইসে আপগ্রেড করতে? কিন্তু বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, প্রতি বছর হাজার হাজার টাকা খরচ করে নতুন ফোন কেনা কি সত্যিই প্রয়োজন? উত্তরটি হয়তো- ‘না’।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩
সম্প্রতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘কাউন্টারপয়েন্ট’-এর সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, বিশ্বজুড়ে মানুষ এখন আর আগের মতো ঘন ঘন ফোন বদলাচ্ছে না। বর্তমানে একটি স্মার্টফোন ব্যবহারের গড় সময় বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় চার বছরে! কেবল পকেটের টাকা বাঁচানোই নয়, পুরোনো ফোন বেশি দিন ব্যবহারের পেছনে রয়েছে ই-বর্জ্য কমিয়ে পরিবেশ রক্ষা করার মতো মহৎ উদ্দেশ্যও। আপনি যদি বুদ্ধিমানের মতো অল্প কিছু যত্ন নেন, তবে আপনার হাতের সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোনটি অনায়াসে চার থেকে সাত বছর পর্যন্ত প্রথম দিনের মতো পারফর্ম করবে। কীভাবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক কিছু সহজ টিপস!
প্রথমত, ব্যাটারির আয়ু পরিমাপকারী সংস্থা হিসেবে ‘আইফ্লিক্স’ বা রিমোট বা এ জাতীয় কোনো পরিচিত আন্তর্জাতিক ব্যাটারি বা মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নেই; মূলত ব্যাটারির স্বাস্থ্য নির্ভর করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রায় ৫০০ থেকে ১০০০ পূর্ণ চার্জ চক্রের ওপর। দ্বিতীয়ত, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির জন্য প্রচলিত ২০ থেকে ৮০ শতাংশের চার্জিং নিয়মটি বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত এবং তা ব্যাটারির রাসায়নিক ক্ষয়রোধে দারুণ কার্যকর। অ্যাপল বা অ্যান্ড্রয়েডের অপ্টিমাইজড ব্যাটারি চার্জিং ফিচারটি রাতভর চার্জিংয়ের সময় ব্যাটারির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে সত্যিই সাহায্য করে। এমনকি পাশাপাশি চরম তাপমাত্রা-বিশেষ করে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপ- ব্যাটারির আয়ু দ্রুত কমিয়ে দেয় এবং ফ্রিজে ফোন রাখার ধারণাটি যে একটি ভুল ধারণা, তা একদম নির্ভুল। চার্জিংয়ের সময় তাপ নির্গমনের বিষয়টি মাথায় রেখে ব্যাক কভার খুলে রাখা কিংবা চার্জিং পোর্ট ও স্পিকার গ্রিলের নিয়মিত মৃদু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ডিভাইস সুরক্ষার জন্য খুবই উপযোগী। এ ছাড়া ওএলইডি ডিসপ্লেতে ডার্ক মোডের ব্যবহার এবং ব্রাইটনেস স্বয়ংক্রিয় রাখা ব্যাটারি সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখে।
সুতরাং অনলাইনের লোভনীয় বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পা না দিয়ে একটু সচেতনতা এবং সঠিক যত্নের মাধ্যমে নিজের সাধের গ্যাজেটটিকে চাইলেই অনায়াসে চার থেকে সাত বছর পর্যন্ত সচল ও ঝরঝরে রাখা সম্পূর্ণ বাস্তবসম্মত।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।