ঢাকা , রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ , ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ৩০ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে প্রস্তাব ৪ বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য বৈঠক শেষ আজ, আলোচনায় শুল্ক ও বাণিজ্য ঘাটতি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া শুরু বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ এশিয়ার বাজারগুলোতে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি অবসরভাতা পেতে শিক্ষকদের ভোগান্তি বন্ধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক পাকিস্তান ও ভারতীয়দের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: WHO যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কেন সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা? অক্টোবরে বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পেতে পারেন সরকারি চাকরিজীবীরা রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান মিয়ানমারেই হতে হবে: তারেক রহমান দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ খাদ্যসংকটের আশঙ্কা প্রকাশ এস জয়শঙ্করের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন জ্বালানি আজ দেশে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া দুই ঈদকে সরকারি ছুটির স্বীকৃতি ইরানকে ঘিরে মার্কিন সামরিক শক্তি বৃদ্ধি মদিনার বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার অভিযোগ সৌদি জোটের,হুতিদের অস্বীকার পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপকূলে ভরা মৌসুমেও মিলছে না ইলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের ‘হ্যালো ডিসি’ চালুর পরিকল্পনা

ঝিনাইদহে সার ডিলার নিয়োগে ৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ

ঝিনাইদহ জেলায় সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্বজনপ্রীতি ও ৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা লেনদেনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম. এ. মজিদের বিরুদ্ধে।

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১১-১০-২০২৬ ০৯:৪৪:৫৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-১০-২০২৬ ০৯:৪৪:৫৩ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১৭ বার পঠিত
ঝিনাইদহে সার ডিলার নিয়োগে ৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ ছবি: প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ জেলায় সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে ৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম. এ. মজিদের বিরুদ্ধে। বিএনপির একাংশের দাবি, ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও অর্থ লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিএনপির ঐ অংশের অভিযোগ, জেলা বিএনপির সভাপতি এম. এ. মজিদ তাঁর বড় ভাই আব্দুল লতিফ এবং নিজের এক কর্মচারীকে সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ গ্রহণের বিনিময়ে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করছেন তাঁরা। অভিযোগকারীদের দাবি, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার পরিবর্তে আর্থিক লেনদেনকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং বিষয়টি নিয়ে বিএনপির অভ্যন্তরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে দাবি দলটির একাংশের। কৃষকদের কাছে সার সরবরাহের ক্ষেত্রে সার ডিলারদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই ডিলার নিয়োগে অনিয়ম বা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ সত্য হলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য গ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম. এ. মজিদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগের ব্যাখ্যা এবং অভিযোগের পক্ষে কোনো নথিপত্র বা তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, অভিযোগের প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া, অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এবং নিয়োগপ্রাপ্তদের পরিচয় যাচাই করা প্রয়োজন। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠতে পারে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।