আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলো অবৈধ বলে
নিরাপত্তার কারণে কনসাল জেনারেল ও ২০ কূটনীতিক ইসরায়েল ছাড়বেন, সীমিত কার্যক্রম চালাবে সাত সদস্যের টাস্কফোর্স
- আপলোড সময় : ০৮-১০-২০২৬ ০৫:৫৬:১৬ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৮-১০-২০২৬ ০৫:৫৬:১৬ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৬ বার পঠিত
ছবি—সংগৃহীত
ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে নিরাপত্তার কারণে ব্রিটিশ কনসাল জেনারেলসহ ২১ কূটনীতিককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কনস্যুলেট সীমিত কার্যক্রম চালাবে।
ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট থেকে কনসাল জেনারেলসহ ২১ জন কূটনীতিককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সার জানিয়েছেন, ২০ জন কূটনীতিক ও কনসাল জেনারেল ইসরায়েল ছাড়বেন। তবে সাত সদস্যের একটি টাস্কফোর্স সীমিত পরিসরে কনস্যুলেট ভবনে কাজ করার অনুমতি পেয়েছে। যুক্তরাজ্য বলেছে, ভবনটি বন্ধ হচ্ছে না এবং এটি যুক্তরাজ্যের মিশন হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে তাঁরা চাননি। তাঁর দাবি, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আলোচনার পর কনস্যুলেটের কার্যক্রম নিয়ে একটি সমঝোতা হয়েছে। এর আওতায় কনসাল জেনারেল ও ২০ জন কূটনীতিক তাঁদের দায়িত্ব শেষ করে ইসরায়েল ছাড়বেন। অন্যদিকে সাতজনের একটি কূটনৈতিক টাস্কফোর্স ভবনটিতে থেকে সীমিত কার্যক্রম চালাবে।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড বলেন, নিরাপত্তার কারণে কিছু কর্মীকে সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে ব্রিটিশ মিশন ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে। যুক্তরাজ্যের অবস্থান অনুযায়ী, কনস্যুলেট ভবনটি বন্ধ করা হচ্ছে না।
এর আগে গত মাসে ইসরায়েল ঘোষণা করেছিল, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলোর ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করা হবে। যুক্তরাজ্য নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কথা জানিয়েছিল ইসরায়েল। সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে কনস্যুলেট বন্ধ না করতে ইসরায়েলকে রাজি করানোর চেষ্টা চালায় যুক্তরাজ্য।
১৮৩৮ সালে জেরুজালেমে প্রথম ব্রিটিশ কনস্যুলেট প্রতিষ্ঠিত হয়। এই কনস্যুলেট তেল আবিবে অবস্থিত ব্রিটিশ দূতাবাস থেকে পৃথক এবং পশ্চিম তীর ও গাজায় ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক দেখভালের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তেল আবিবের ব্রিটিশ দূতাবাসই ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের প্রধান কূটনৈতিক কেন্দ্র।
গিডিয়ন সার বলেন, যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার জবাবে ইসরায়েল যে পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল, তার বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। তিনি জানান, কনস্যুলেট ভবন থেকে ব্রিটিশ কনস্যুলেটের সাইনবোর্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে একই দিন সকালে ভবনের বাইরে ব্রিটিশ পতাকা দেখা যায় এবং কয়েকজন কর্মীকেও সেখানে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।