রাশিয়ায় নিউমোনিক প্লেগের আতঙ্ক, বাড়ছে উদ্বেগ
গবেষণাগারে দুর্ঘটনার পর প্লেগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা নিয়ে আলোচনা
- আপলোড সময় : ০৮-১০-২০২৬ ১১:৫০:২৩ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৮-১০-২০২৬ ১২:০৩:২৭ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৮ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
রাশিয়ার একটি গবেষণাগারে প্লেগের জীবাণুভর্তি টেস্টটিউব ভেঙে যাওয়ার পর এক তরুণী গবেষকের নিউমোনিয়ায় মৃত্যুর ঘটনায় নিউমোনিক প্লেগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সম্পর্কে রাশিয়ার কাছে তথ্য চেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
দারিয়া শিপিলোভা নামের ওই গবেষক প্লেগ প্রতিরোধের ওষুধ নিয়ে কাজ করছিলেন। তার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাশিয়ায় নিউমোনিক প্লেগের সংক্রমণ ঘটেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে প্রদত্ত প্রতিবেদনে এ সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়ার তথ্য নেই।
প্লেগ একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যার জন্য দায়ী ইয়ার্সিনিয়া পেস্টিস ব্যাকটেরিয়া। রোগটির প্রধান ধরনগুলোর মধ্যে রয়েছে বিউবনিক, সেপ্টিসেমিক ও নিউমোনিক প্লেগ। এর মধ্যে নিউমোনিক প্লেগ ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায় এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
নিউমোনিক প্লেগে আক্রান্ত হলে জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা, কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং কখনও কাশির সঙ্গে রক্তপাতের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। দ্রুত চিকিৎসা না হলে রোগটি গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে। তবে বর্তমানে উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিকের মাধ্যমে প্লেগের চিকিৎসা সম্ভব।
ইতিহাসে প্লেগের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের নজির রয়েছে। ইউরোপে ব্ল্যাক ডেথের সময় বিপুলসংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ভারতেও উনিশ শতকের শেষ দিকে প্লেগের বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়, যার প্রভাব পুণে, কলকাতা ও তৎকালীন করাচিসহ বিভিন্ন এলাকায় পড়েছিল।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিউমোনিক প্লেগ দ্রুত গুরুতর আকার নিতে পারে। তাই সংক্রমণ দ্রুত শনাক্ত করে চিকিৎসা শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে অ্যান্টিবায়োটিকসহ চিকিৎসা সুবিধা থাকায় দ্রুত শনাক্তকরণ ও যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।