গাজা সিভিল ডিফেন্সের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত পাঁচ শিশু রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা কাজ করছেন।
আল জাজিরার যাচাইকৃত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, স্থানীয়রা খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা করছেন। এ সময় উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিশু ও অন্যান্য জীবিত ব্যক্তিকে বের করে আনছেন। উদ্ধার হওয়া কয়েকজনের মধ্যে শ্বাসকষ্টে ভোগা শিশুও ছিল। পরে তাদের অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেয়া হয়।
গাজা সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল আল জাজিরাকে জানান, উদ্ধারকারী দলগুলো এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার এবং নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছে। তবে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে উদ্ধারকাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবনটি এর আগে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ভবনটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ায় পরে সেটি ধসে যায়। যুদ্ধের কারণে গাজাজুড়ে হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে। একই সঙ্গে নির্মাণসামগ্রী ও ভারী উদ্ধার সরঞ্জাম প্রবেশে বিধিনিষেধ থাকায় ধ্বংসস্তূপ সরানো এবং আটকে পড়াদের উদ্ধারে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।
মাহমুদ বাসাল বলেন, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে অনেক ফিলিস্তিনি এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই থাকতে বাধ্য হচ্ছেন, যেগুলো তাদের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র বা তাঁবুর অভাবেও তাদের বিকল্প থাকার ব্যবস্থা নেই।