বিবিসি নিউজ ফার্সির এক খবরে বলা হয়েছে, বেইজিং সফররত আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে বৈঠকে ওয়াং ই বলেন, চীন “ইরানের সঙ্গে সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদার করতে এবং ইরানের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে প্রস্তুত”।
“আমরা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে যুক্তিবোধ ও সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানাই,” বলেন তিনি।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের জন্য ওয়াশিংটন সফর করার কথা রয়েছে।
এএফপির তথ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদারদের অন্যতম চীন দীর্ঘদিন ধরে কয়েক মাসব্যাপী মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করে আসছে। এই সংঘাত ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে।
ওয়াং ই বলেন, আমরা ইয়েমেন ও লোহিত সাগরে আঞ্চলিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে দেখতে চাই না। এ সপ্তাহে চীন মার্কিন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সেই প্রতিবেদন অস্বীকার করেছে, যেখানে বলা হয়েছিল যে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর একটি সামরিক ঘাঁটির উপগ্রহচিত্র ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে সরবরাহ করেছে। ওই হামলায় তিনজন মার্কিন সেনা নিহত হন।