ইরানের ওপর অবরোধ, হরমুজে ৯৪ জাহাজ ঘুরিয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের বন্দরমুখী বাণিজ্যিক জাহাজ ঠেকাতে মার্কিন নৌ অবরোধ জোরদার; কয়েক সপ্তাহে ৯৪টি জাহাজকে গতিপথ পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়ার দাবি
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৮-০৯-২০২৬ ১১:৫১:৩৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৮-০৯-২০২৬ ১১:৫১:৩৯ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৯৮ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে ৯৪টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করে দেওয়ার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। একই সময়ে তিনটি জাহাজ অচল এবং আরও দুটি জাহাজে অভিযান চালানোর কথাও জানিয়েছে তারা।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩
সেন্টকমের সর্বশেষ হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুটি বাণিজ্যিক জাহাজকে তাদের নির্ধারিত পথ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর একদিন আগে জাহাজ ঘুরিয়ে দেওয়ার সংখ্যা ছিল ৯২টি। তবে অচল করে দেওয়া ও তল্লাশি চালানো জাহাজের সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে।
ইরানের বন্দরগুলোকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ পুনর্বহালের পর থেকেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। এই অবরোধের অন্যতম লক্ষ্য ইরানের রপ্তানি, বিশেষ করে তেল বিক্রির পথ সীমিত করা।
যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা, ইরানের তেল রপ্তানি কমিয়ে দেশটির অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করা গেলে তেহরানকে ওয়াশিংটনের দাবিগুলো মেনে নিতে বাধ্য করা সম্ভব হবে।
তবে মার্কিন চাপের মুখে ইরানও নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করছে। ফলে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের পাশাপাশি কূটনৈতিক অচলাবস্থাও আরও গভীর হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশ্লেষক রস হ্যারিসনের মতে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রকৃত অর্থে কোনো কার্যকর আলোচনার পথ তৈরি হয়নি। তাঁর ভাষায়, দুই পক্ষই আলোচনার টেবিলের চেয়ে মাঠের চাপকে বেশি কার্যকর মনে করছে।
হ্যারিসনের মতে, ওয়াশিংটন সামরিক পদক্ষেপের তুলনায় বর্তমানে অর্থনৈতিক চাপকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। অন্যদিকে তেহরান মনে করছে, সংঘাতের গতিপথ নির্ধারণে তাদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকা উচিত।
দুই পক্ষের অবস্থানের পরিবর্তন না হলে আগামী দিনগুলোতে প্রকৃত আলোচনার সম্ভাবনা কম বলেও মনে করছেন তিনি।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।