১৬ বছরের কম বয়সীদের সোস্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা নিউজিল্যান্ডে
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে বৈশ্বিক আয়ের ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানার বিধান রেখে প্রস্তাবিত আইন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৫-০৮-২০২৬ ১১:০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৫-০৮-২০২৬ ১১:০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৯৩ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিতে আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। প্রস্তাবিত আইনে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে ব্যর্থ হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানিগুলোকে তাদের বৈশ্বিক আয়ের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
সোমবার (২৪ আগস্ট) দেশটির প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন এ ঘোষণা দেন।
প্রস্তাবিত আইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোকে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এজন্য ডিজিটাল পরিচয়পত্র, মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি এবং ব্যবহারকারীর বিদ্যমান অ্যাকাউন্টের তথ্য ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী লাক্সন বলেন, তরুণদের ক্ষতিকর কনটেন্ট, আসক্তি এবং এমন সব সামাজিক চাপ থেকে রক্ষা করা জরুরি, যা তাদের মোকাবিলার জন্য তারা এখনো প্রস্তুত নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে শিশুদের পারিবারিক জীবন, মানসিক স্বাস্থ্য, ঘুম ও পড়াশোনায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তবে প্রস্তাবটি পার্লামেন্টে পাস হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। লাক্সনের জোট সরকারের অংশীদার নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টি ইতোমধ্যে এর বিরোধিতা করেছে। দলটির নেতা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স বলেছেন, এ ধরনের আইন দেশকে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পথে নিয়ে যেতে পারে। অস্ট্রেলিয়ায় একই ধরনের নিষেধাজ্ঞাকে তিনি ‘ব্যর্থতা’ বলেও মন্তব্য করেছেন এবং শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে অভিভাবকদের ভূমিকার ওপর জোর দিয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়া গত বছরের ডিসেম্বরে ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করে। এর ফলে টিকটক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে শিশু-কিশোরদের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের প্রস্তাবিত আইনও মূলত অস্ট্রেলিয়ার পদক্ষেপ অনুসরণ করছে।
লাক্সন স্বীকার করেছেন, আইনটি বাস্তবায়ন করা সহজ হবে না এবং সব শিশুকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে পুরোপুরি দূরে রাখা সম্ভব নাও হতে পারে। তবে শিশুদের সুরক্ষার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট ও রয়টার্স
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।