দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্মকর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন ভোট গ্রহণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার পর ভোট শুরু হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ সদস্যরা ভোট দেবেন। এরপর একই স্থানে ব্যালট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
এবার রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন দুজনের মনোনয়নই বৈধ ঘোষণা করে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার হিসেবে রয়েছেন জাতীয় সংসদের ৩৪৯ জন সদস্য। সংসদ কক্ষেই তাঁদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী, ব্যালট পেপারে দুই প্রার্থীর নাম থাকবে। সংসদ সদস্যরা পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে তাঁর পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন।
ভোট গ্রহণ শেষ হলে ব্যালট গণনা করা হবে। পরে সিইসি বৈধ ও অবৈধ ভোটের সংখ্যা এবং প্রত্যেক প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন।
দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। সর্বশেষ ১৯৯১ সালে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপরের নির্বাচনগুলোতে ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় ৬ আগস্ট। তফসিল অনুযায়ী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা, ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল।