শনিবার ২ আগস্ট রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অনুরোধের পর তিনি সামরিক হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য সমঝোতার ভিত্তি তৈরি হয়েছে এবং এখন দ্রুত আলোচনাকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নেওয়া প্রয়োজন।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, সম্ভাব্য চুক্তি বাস্তবায়িত হলে হরমুজ প্রণালি তাৎক্ষণিকভাবে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হবে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ঘিরে দীর্ঘদিনের সংকটেরও অবসান ঘটতে পারে।
তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি তেহরান। একই দিনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল হামলা চালালে ইরান তার সমানুপাতিক জবাব দেবে।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান শনিবার ট্রাম্পকে ফোন করে সম্ভাব্য সামরিক হামলা বাতিল করে কূটনৈতিক আলোচনায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এর আগে শুক্রবার ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে। সাম্প্রতিক এই অবস্থান পরিবর্তন মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন কূটনৈতিক সম্ভাবনার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় শনিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যের ১০টি দেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং প্রয়োজন হলে অঞ্চল ত্যাগের বিষয়টি বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট