সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইব্রাহিম রেজাই বলেন, শত্রুপক্ষের সম্ভাব্য যেকোনো হামলার জবাবে ইরান কেবল পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিক্রিয়া জানাবে না, বরং যেখান থেকে হামলা পরিচালিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব ঘাঁটির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বও দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সম্ভাব্য হামলা নিয়ে সতর্ক অবস্থান ব্যক্ত করেছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, এমন কোনো হামলা হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।
এর আগে ইব্রাহিম রেজাই দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা ছিল তারা দ্রুত ও ব্যাপক হামলার মাধ্যমে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে পারবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ছিল ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেওয়া একটি ভুল মূল্যায়ন।
রেজাই আরও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা হলে এর প্রতিক্রিয়া পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে এমন কোনো পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
ডেস্ক রিপোর্ট