গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলা
কাশিয়ানী ব্র্যাক অফিসের সামনে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে এক স্কুলশিক্ষার্থীকে, অভিযুক্তরা পলাতক।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৯-০৭-২০২৬ ০১:৩৮:০৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৯-০৭-২০২৬ ০১:৩৮:০৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জাহিদ হাসান (১৭) নামে দশম শ্রেণীর এক স্কুল শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। গত সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে কাশিয়ানী ব্র্যাক অফিসের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
হামলার শিকার জাহিদ হাসান কাশিয়ানী সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে পরিচিত মরিশাস প্রবাসী আকাশ মিয়ার ছেলে।
অভিযুক্তরা হলেন- কাশিয়ানী দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা আনিচ (৪২), তাঁর ছেলে আলিনুর (২০), একই এলাকার রাসেল (২৫) এবং তাঁর ছোট ভাই রানা (২০)। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে।
এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর মা রাবেয়া বেগম বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর ২টার দিকে স্কুল ছুটি শেষে জাহিদ বাড়ি ফিরছিল। কাশিয়ানী ব্র্যাক অফিসের সামনে পৌঁছালে পূর্বে থেকে ওতপেতে থাকা একদল যুবক তার পথরোধ করে। এক পর্যায়ে তারা লোহার রড, হাতুড়ি ও লাঠিসোটা নিয়ে জাহিদকে বেধড়ক মারধর করে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বিচারের দাবি জানিয়ে মরিশাস প্রবাসী আকাশ মিয়া বলেন, আমি দেশের বাইরে থেকেও দেশের ও মানুষের সেবা করার চেষ্টা করি। আমার নাবালক ছেলের ওপর যারা এমন নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে, আমি প্রশাসনের কাছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।