চট্টগ্রামে রেকর্ড ৩৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত: ডুবল নিচু এলাকা, পাহাড়ধসে প্রাণহানি ও চরম জনদুর্ভোগ
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৯-০৭-২০২৬ ০৫:৩৫:২৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৯-০৭-২০২৬ ০৫:৩৫:২৪ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৮৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রামে গত কয়েকদিনের অবিরাম অতি ভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় নগরের আমবাগান আবহাওয়া অফিসে সর্বোচ্চ ৩৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে চট্টগ্রামে গত চারদিনে ৮৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এর মধ্যে আজ সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র ৩ ঘণ্টাতেই ঝরেছে ৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টি। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ১১ জুলাই পর্যন্ত এই অতি বর্ষণ অব্যাহত থাকবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
টানা বর্ষণে নগরীর নিচু এলাকাগুলো এখনো পানির নিচে নিমজ্জিত রয়েছে। গতকাল বিকেলে কয়েক ঘণ্টার জন্য বৃষ্টি থামায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও, গত রাত থেকে শুরু হওয়া পুনরায় অতি ভারী বর্ষণে এলাকাগুলো আবারও প্লাবিত হয়। জানা যায়, নগরের মুরাদপুর, চকবাজার, কাপাসগোলা ও কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদের বেপারীপাড়া, কমার্স কলেজ রোড, দুই নম্বর গেট, ষোলশহর, পাঁচলাইশ, পতেঙ্গা, ফিরোজশাহ, আকবরশাহ বিশ্ব কলোনি এবং উত্তর পাহাড়তলী এলাকায় রাতের বৃষ্টিতে পানি জমেছে। দীর্ঘদিনের পুরোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়া ও খাল-নালা দখলের ফলে এই জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
অবিরাম এই বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কারণে নগরের স্বাভাবিক জনজীবন একপ্রকার নাকাল হয়ে পড়েছে। নিচু এলাকার বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও দিনমজুরেরা। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। সড়কে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, বাস, মিনিবাস, মোটরসাইকেল, ট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহনের চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে। পানিতে অনেক যানবাহন বিকল হয়ে পড়েছে। এতে অফিসগামী মানুষেরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। শুধু তা-ই নয়, এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাড়তি ভাড়া আদায়েরও অভিযোগ উঠেছে।
এর আগে গতকাল সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড়ধসে বসতঘর ভেঙে ১০ মাস বয়সী এক শিশু এবং নগরের চশমা হিলের মেয়র গলিতে পাহাড়ধসে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার নগরের রহমাননগরে দেয়ালধসে এক যুবকের মৃত্যু হয়।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।