ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬ , ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছাড়লেন আব্দুল্লাহ আল জাবের, শহীদ ওসমান হাদীর পরিবারের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত আগামী সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে: হাইকোর্টের রায়ের পর আইনমন্ত্রী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর, সাবেক সরকারের 'বৃক্ষ জালিয়াতি' নিয়ে অসন্তোষ টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রকে ‘জাতীয় সেন্টার’ করার ঘোষণা সমাজকল্যাণমন্ত্রীর সরকারি বেতন বাড়লে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে, বেসরকারি কর্মীরা বৈষম্যে পড়বেন — অর্থনীতিবিদদের সতর্কতা টিকটকে 'এক নম্বর' দাবি ট্রাম্পের, কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা ‘রাজনৈতিক সমাধান ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুরই থাকবে’ সিরিয়া সফরে ম্যাক্রোর হোটেলের পাশে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণ, অক্ষত ফরাসি প্রেসিডেন্ট পুশইনের আশঙ্কা: সীমান্তে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কড়া টহল বারুইপুর হত্যাকাণ্ড: জীবিত অবস্থাতেই বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলা হয়েছিল মুসলিম কিশোরীকে, ময়নাতদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য পটিয়ায় পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৪ লাখ টাকার মাছের পোনা নিধন, তদন্তে মৎস্য বিভাগ ওমান উপকূলে রহস্যময় হামলায় তেলবাহী জাহাজে আগুন তিন বিভাগে বন্যার শঙ্কা, বাড়ছে নদ-নদীর পানি পারমাণবিক সক্ষম নৌবাহিনী গড়ার পথে কিম, যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ৩৩৪২ ১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ ও ৫ আগস্ট ‘গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের মিরপুরে ১৪ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের পর পানির হাউসে ফেলে রাখার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৫০ বছর বয়সী আনোয়ার খামেনির প্রভাব প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম মনে রাখবে: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি বানচালের চেষ্টা করছে: এরদোয়ান ৯ কোটি টাকার সড়ক ধস: পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর, সাবেক সরকারের 'বৃক্ষ জালিয়াতি' নিয়ে অসন্তোষ

  • আপলোড সময় : ০৯-০৭-২০২৬ ০৪:৫৫:৫৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৭-২০২৬ ০৪:৫৫:৫৯ অপরাহ্ন
৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর, সাবেক সরকারের 'বৃক্ষ জালিয়াতি' নিয়ে অসন্তোষ ছবি: সংগৃহীত
একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন, জলবায়ু সহনশীল টেকসই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬’ এবং ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পে বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে বড়সড় জালিয়াতির বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম থেকে হাটহাজারী-ডুলাহাজারা হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত যে ট্রেন লাইন গেছে, সেখানে কয়েক লাখ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। সরকারি হিসাবে বলা হয়েছে সেখানে সাত লাখ গাছ রোপণ করা হয়েছে, কিন্তু আমি নিজে যাচাই করে দেখেছি সেখানে বড়জোর দুই লাখের মতো গাছ হবে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

ad-img
তিনি জানান, উন্নয়ন ও পরিবেশকে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে না দেখে, প্রকৃতির সঙ্গে সম্প্রীতি বজায় রেখে সমৃদ্ধি গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছে সরকার। সেই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে দেশে নতুন করে ২৫ কোটি গাছ রোপণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান সরকারের লক্ষ্য তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন, জলবায়ু সহনশীল টেকসই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। এ লক্ষ্যে আমরা ‘ক্লাইমেট ইয়ুথ ফেলোশিপ’ এবং ‘এনভায়রনমেন্ট স্টার্টআপ ফান্ড’সহ বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আগামী ৫ বছরে নতুন করে ২৫ কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে।

অযৌক্তিকভাবে গাছ না লাগানোর পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ইচ্ছামতো গাছ রোপণ করলে আমাদের লক্ষ্য সফল হবে না। কোন পরিবেশে, মাটিতে ও আবহাওয়ায় কোন প্রজাতির গাছ রোপণ করা প্রয়োজন, সেই সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। নব্বইয়ের দশকে লাগানো ইউক্যালিপটাস বা আকাশমণি গাছ পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। এর বদলে দেশীয় প্রজাতির ওষুধি, অর্কিড, বাঁশ জাতীয় বনজ, ফলদ বা বিপন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা বেশি দরকার।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় সরকার সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন এবং পুনঃখননের কর্মসূচি শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তনের তাগিদ দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, এটি শুধু নগর প্রশাসন বা পুলিশ দিয়ে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন। 

যেখানে সেখানে বর্জ্য বা উচ্ছিষ্ট না ফেলার অনুরোধ জানিয়ে তিনি নিজের একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এক যুবকের রাস্তায় প্যাকেট ছুড়ে ফেলার কথা উল্লেখ করে তিনি পরিবেশকর্মীদের সাধারণ মানুষকে এসব বিষয়ে সচেতন করার আহ্বান জানান।

জীববৈচিত্র্য রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ— এগুলোকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। কোনো একটি পোকা বা মাকড়সা দেখলে আমরা মেরে দেই। ও তো আপনাকে কামড়াচ্ছে না, কী দরকার ওকে মারার? একটা পাখি দেখলে আমরা ঢিল মারি। এসব জিনিস আমাদের বাচ্চাদের শেখানো উচিত।

উন্নয়ন ও পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, উন্নয়ন ও পরিবেশ একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। প্রকৃতির সঙ্গে সম্প্রীতি বজায় রেখে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি গড়ে উঠুক— এটিই বর্তমান সরকারের প্রত্যাশা। দেশ হোক সব প্রাণী এবং প্রাণের নিরাপদ আবাসস্থল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন বৃক্ষরোপণ অবশ্যই জরুরি, তবে রোপিত গাছ নিরাপদে বেড়ে উঠছে কিনা কিংবা বেড়ে উঠতে পারছে কিনা, সেটি নিশ্চিত করা তার চেয়েও বেশি জরুরি। আর যুগ যুগ ধরে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের অংশ হয়ে যাওয়া, বিদ্যমান গাছগুলোকে কেটে না ফেলে, জীব বৈচিত্র্য রক্ষা করা সবচেয়ে বেশি জরুরি। আমি আশা করি, বনবিভাগ সেটি নিশ্চিত করবে। সরকার পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে বন উজাড়, পাহাড় কাটা, ম্যানগ্রোভ ধ্বংস এবং বন্যপ্রাণী নিধনের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আগামী সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে: হাইকোর্টের রায়ের পর আইনমন্ত্রী

আগামী সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে: হাইকোর্টের রায়ের পর আইনমন্ত্রী