ঢাকা , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
এআই অসৎ লোকের হাতে পড়লে ১০০ কোটি মানুষের প্রাণ যেতে পারে: বিল গেটস জানুয়ারির অধিবেশনেই সংবিধান সংশোধন বিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাকৃবির ১০ তলা হলে লিফট নেই, না খেয়েই দিন কাটছে ছাত্রীদের র‌্যাবের পর এসআরবি, বদলেছে নাম ও আইনি কাঠামো তারেক রহমান ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক জাতিসংঘে শান্তিপূর্ণ বিশ্বব্যবস্থা গড়ার আহ্বান তারেক রহমানের সুপার এল নিনো কি, কিভাবে এটা আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে? গাজায় ট্রাম্পের শান্তি দাবি উড়িয়ে দিয়ে একে ‘লজ্জাজনক’ বললেন ম্যাক্রো তেল ও গ্যাস সাপ্লাই চেইনের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক সহায়তা করতে রাজি আছে বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দম্পতি থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে স্বাধীন ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসের ভাড়া ১৭ পয়সা বাড়ল আল-আকসার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে ইসরাইল:শায়খ ইকরিমা সাবরি অপ্রতিম হত্যা মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন: আইফোন ছিনতাই ও পাঁচ হাজার টাকা অব্যবহৃত ২৪টি ট্রমা সেন্টার চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার নয়াদিল্লির একাধিক স্কুলে ইমেইলে বোমা হামলার হুমকি: তল্লাশি অভিযান শুরু সমুদ্রের ১০ মিটার গভীরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে চীনা বিজ্ঞানীদের সাফল্য জাতিসংঘে ভাষণ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন তারেক রহমান ইসরায়েলের কাছে ৬০ হাজার ভারী বোমা বিক্রির চূড়ান্ত প্রস্তুতি ট্রাম্পের

শ্রীমঙ্গলে ৪ কোটি টাকার সড়ক প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০১-০৭-২০২৬ ১১:৫০:৩৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-০৭-২০২৬ ০২:২৪:৩০ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৯৩ বার পঠিত
শ্রীমঙ্গলে ৪ কোটি টাকার সড়ক প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের ছবি সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার আশিদ্রোন ইউনিয়নে প্রায় ৪ কোটি টাকার একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এদিকে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কালিঘাট–মনু–দলই সার্কুলার সড়ক সংস্কারের জন্য ৪ কোটি ৫ লাখ ২২ হাজার ৮৪৬ টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি কার্যাদেশ জারি করা হয় এবং প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৭।
 

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পে নির্ধারিত মানের বালু, পাথর ও খোয়া ব্যবহারের পরিবর্তে নিম্নমানের বালু, রাবিশ, পুরোনো ইটের খোয়া, পাথরের গুঁড়া এবং কিছু স্থানে মাটিও ব্যবহার করা হচ্ছে। তাদের দাবি, যথাযথ তদারকির অভাবে নির্মাণকাজে মান রক্ষা করা হচ্ছে না, যা ভবিষ্যতে সড়কের স্থায়িত্বকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে এবং সরকারি অর্থের অপচয়ের আশঙ্কা তৈরি করছে।
 

হোসেনাবাদ–বিলাসছড়া সড়কটি আশিদ্রোন ও কালিঘাট ইউনিয়নের সাতটি চা-বাগান এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন কয়েক হাজার চা-শ্রমিকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এই সড়ক ব্যবহার করে।
 

স্থানীয় বাসিন্দা ও হোসেনাবাদ পানপুঞ্জির মন্ত্রী (পুঞ্জি প্রধান) ওয়েল সুরং অভিযোগ করেন, প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রী যথাযথভাবে ব্যবহার না করায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অপরদিকে শাহিন মিয়াসহ আরও কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, শুরু থেকেই অনিয়ম চলছে। সিসি ঢালাইয়ের মান নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এলাকাবাসী একপর্যায়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন এবং পরে উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
 

তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সানি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. হাসানুজ্জামান অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর দাবি, যেসব পুরোনো ইট ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলো সরকারি সেলভেজ মালামাল এবং টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী বৈধভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি বলেন, নতুন নির্মাণকাজে কোনো সমস্যা নেই এবং যেসব স্থানে ত্রুটি ছিল, তা সংশোধন করা হয়েছে।
 

এলজিইডির কার্যসহকারী আবু বকর সিদ্দিক জানান, কাজ শিডিউল অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। তবে সেলভেজ ইট ব্যবহারের কারণে কিছু ক্ষেত্রে মানের পার্থক্য থাকতে পারে। উপ-সহকারী প্রকৌশলী সঞ্জয় পণ্ডিত বলেন, প্রকল্পে ব্যবহৃত সেলভেজ সামগ্রীর মূল্য সরকারি তহবিলে জমা হওয়ায় প্রকল্পের প্রকৃত ব্যয় কমে আসবে। তবে সব কাজ নিম্নমানের—এমন অভিযোগ সঠিক নয়, যদিও কিছু ত্রুটি থাকতে পারে বলে তিনি স্বীকার করেন।
 

উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাকিব বলেন, অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা হবে এবং কোথাও নিম্নমানের কাজের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান জানান, বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে। এলজিইডির কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তদন্ত করা হবে এবং অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।