ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
শাহজালালে কর্মীদের বিরুদ্ধে যাত্রী হয়রানি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ কিনেমাস্টার বাংলাদেশিদের জন্য ওয়াটারমার্ক ছাড়া ব্যবহারের সুযোগ রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ যুক্ত করতে ভারনোভার চুক্তি ভারত-ইরান বাণিজ্য চুক্তির গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক ছায়েদুর রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সড়ক নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন ভাসমান এলএনজি স্থাপন: প্রধানমন্ত্রী কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা ঢাকা–আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের আশা প্রকাশ ট্রাম্পের নতুন বেতন কাঠামোয় মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা নবম পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরাও আসছেন নেপালে বন্যায় মৃত ৯৩৯, এক বাড়ি থেকেই উদ্ধার ২৩ লাশ ৪৫ বছর পর জিয়া হত্যার পুনঃতদন্তে নতুন সূত্র ইসলামকে ‘অন্য সব ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’ বলায় মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী ইরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা আদানির বিদ্যুৎ কমায় দেশজুড়ে লোডশেডিং তীব্র মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ৭০০ মিলিয়নে স্থির

৫২ কোটি টাকার হাইটেক পার্ক রেলস্টেশন প্রায় অচল, দিনে থামে মাত্র একটি ট্রেন

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৬-০৫-২০২৬ ০৯:৩২:৩৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৬-০৫-২০২৬ ০৯:৩২:৩৯ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৩৩ বার পঠিত
৫২ কোটি টাকার হাইটেক পার্ক রেলস্টেশন প্রায় অচল, দিনে থামে মাত্র একটি ট্রেন সংগৃহীত ছবি
 

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রায় ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাইটেক পার্ক রেলওয়ে স্টেশনটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। প্রতিদিন এই রুট দিয়ে প্রায় ৪০টি ট্রেন চলাচল করলেও স্টেশনটিতে নিয়মিত যাত্রাবিরতি দেয় মাত্র একটি লোকাল ট্রেন, ফলে আশপাশের হাজারো মানুষ প্রত্যাশিত রেলসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
 

২০১৬ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ২০১৮ সালে শেষ হওয়া এই স্টেশনটি একই বছরের ১ নভেম্বর উদ্বোধন করা হয়। আধুনিক স্থাপত্য, উন্নত সিগন্যালিং ব্যবস্থা, একক প্ল্যাটফর্ম ও লুপ লাইনের সুবিধা থাকায় এটি দেশের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন রেলস্টেশন হিসেবে বিবেচিত। সাভার ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল ঘিরে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ হাজার যাত্রীকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পটি চালু করা হয়েছিল।
 

তবে বাস্তবে স্টেশনটি অধিকাংশ সময়ই ফাঁকা পড়ে থাকে। প্রতিদিন সীমিতসংখ্যক টিকিট বরাদ্দসহ মাত্র একটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির কারণে যাত্রীদের আগ্রহও কমে গেছে। ফলে ভিআইপি অংশসহ স্টেশনের বিভিন্ন সুবিধা কার্যত বন্ধ হয়ে রয়েছে।
 

স্টেশনটির পাশেই বাংলাদেশ হাইটেক সিটি এবং একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের জন্য এটি কার্যকর পরিবহন সুবিধা দিতে পারছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাস্তব চাহিদা যাচাই ছাড়াই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যার ফলে এটি এখন প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।
 

নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় স্টেশনটি অসামাজিক কার্যকলাপের ঝুঁকিতে রয়েছে এবং ইতোমধ্যে কিছু মালামাল চুরির ঘটনাও ঘটেছে।
 

রেলওয়ে সূত্র জানায়, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও রক্ষণাবেক্ষণসহ প্রতি মাসে প্রায় ৫ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হলেও যাত্রীসংখ্যা কম থাকায় উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হচ্ছে না। এতে স্টেশনটি লোকসানি প্রকল্পে পরিণত হয়েছে।
 

স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, ট্রেন না থামার কারণেই যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে। অন্যদিকে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এখানে পর্যাপ্ত যাত্রী সম্ভাবনা রয়েছে এবং ট্রেনের যাত্রাবিরতি বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।