২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইউনিটটির কার্যক্রম শুরুর পর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ৩০০টির বেশি আয়কর নথিতে কর ফাঁকির অভিযোগে অনুসন্ধান ও তদন্ত চলছে। এসব তদন্তে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ৭০০০ কোটি টাকার কর ফাঁকির তথ্য উদঘাটিত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন করবর্ষে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো এসব কর ফাঁকি দিয়েছিল। পরবর্তীতে আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের তদন্তে বিষয়গুলো প্রমাণিত হলে অনেক করদাতা স্বেচ্ছায় ফাঁকিকৃত কর চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন।
এছাড়া, ইউনিটটির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ জোরদার করা গেলে ভবিষ্যতে রাজস্ব আহরণে আরও বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের কর কমিশনার ড. লুৎফুন্নাহার বেগম জানান, কর ফাঁকি উদঘাটনে কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করছেন। তিনি বলেন, জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও গতিশীল করা হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কর ফাঁকি রোধ, আয়কর আইন মানার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং স্বচ্ছ ও ন্যায্য রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে এই ইউনিটের কার্যক্রম ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করেছে।
ডেস্ক রিপোর্ট