বিপিসির দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা গতকাল দৈনিক আজাদীকে বলেন, গত ১০ দিনে ডিজেল–অকটেন ও জেট ফুয়েল নিয়ে প্রায় এক ডজন জাহাজ এসেছে চট্টগ্রামে। ইতোমধ্যে কয়েকটি জাহাজ তেল খালাস করে চলে গেছে। একইসাথে তিনটি জাহাজকে বার্থিং দিয়ে বিপিসি তেল খালাস করছে। এপ্রিল মাসে মোট ১৭টি জাহাজে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং চীন থেকে ৬ লাখ ৭৭ হাজার টন জ্বালানি এসেছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৬২ হাজার ২৩৮ টন ডিজেল, ৬১ হাজার ৬৩৬ টন জেট এ–১ এবং ৫৩ হাজার ৩৬৪ টন অকটেন রয়েছে। পাশাপাশি পাইপলাইনে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে এসেছে ৪০ হাজার টন ডিজেল। একদিন আগে ৩৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছেছে। মে মাসে আসার কথা থাকলেও ২৬ হাজার ৫১৮ টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ গতকাল চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় পৌঁছে গেছে। আমদানিকৃত জ্বালানি তেল ব্যবহারের পরও দেশে ইতোমধ্যে দেশে তিন লাখ টনের বেশি ডিজেলসহ পর্যাপ্ত জ্বালানির মজুত গড়ে তোলা হয়েছে। রয়েছে পর্যাপ্ত পেট্রোল ও অকটেন। আগামী মাসে আরো ১৭টি জাহাজ সাড়ে পাঁচ লাখ টন ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন এবং জেট ফুয়েল নিয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছাবে।
স্পট মার্কেট থেকেও ২৫ হাজার টন ডিজেল কেনা হচ্ছে। পেট্রোগ্যাস নামের একটি প্রতিষ্ঠান এই তেল সরবরাহ দেবে। অপরদিকে সৌদি আরব থেকে এক লাখ টন ক্রুডবাহী ‘এমটি নিনেমিয়া’ আগামী ৬ মে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। এটি আসার পরই ইস্টার্ন রিফাইনারি পুরোদমে উৎপাদন শুরু করবে।
বিপিসির জ্বালানি তেলবাহী জাহাজগুলোর স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং এজেন্সির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম গতকাল দৈনিক আজাদীকে বলেন, প্রচুর জ্বালানি তেল এসেছে, সামনের মাসে ১৭টি জাহাজে সাড়ে পাঁচ লাখ টনের বেশি জ্বালানি তেল আসবে। তিনি তেল নিয়ে আদৌ কোনো সংকট নেই বলেও মন্তব্য করেন।
ডেস্ক রিপোর্ট