জ্বালানি সংকট বিনিয়োগের বড় বাধা, বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার বিনিয়োগ কেন্দ্র করতে হবে: খলিলুর রহমান
- আপলোড সময় : ১৩-০৬-২০২৬ ১১:২৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৩-০৬-২০২৬ ১১:২৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৯২ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
জ্বালানি সংকটকে দেশের বিনিয়োগ পরিবেশের অন্যতম বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ-এর সভাপতি ড. খলিলুর রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনীতিক কর্মপরিকল্পনা’ বিষয়ক সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণে গঠনমূলক ও নির্ভরযোগ্য অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতামূলক, নিরপেক্ষ এবং স্থিতিশীল ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করে দক্ষিণ এশিয়ায় বিনিয়োগের অন্যতম প্রধান গন্তব্যে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য রয়েছে দেশের।
তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সময়ে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিকে সামনে রেখে সরকার বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবিলায় অর্থনৈতিক কূটনীতির ভূমিকা আরও জোরদার করতে হবে। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও স্থিতিশীল ও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনে স্বচ্ছ, টেকসই এবং পূর্বাভাসযোগ্য নীতিগত পরিবেশ তৈরির প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, প্রচলিত খাতের বাইরে গিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সৃজনশীল অর্থনীতি এবং ক্রীড়া শিল্পের মতো উদীয়মান খাতগুলোতে বিনিয়োগ ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়াতে হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাগুলো বিশ্বমঞ্চে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।
সম্মেলনে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কূটনীতিকে কেন্দ্র করে তিনটি পৃথক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে নীতিনির্ধারণ, বিনিয়োগ ও অর্থায়ন এবং এআই ও সৃজনশীল অর্থনীতিনির্ভর নতুন প্রবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক রূপান্তর ও টেকসই প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নেওয়াই এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।