ইরান মাথা নোয়াবে না, যুক্তরাষ্ট্র করবে কি?
সমঝোতার আলোচনা চললেও অনড় দুই পক্ষ; নতুন করে হামলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না ট্রাম্প।
- আপলোড সময় : ২৬-১০-২০২৬ ০৯:২১:১৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৬-১০-২০২৬ ০৯:২৩:২৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের শীর্ষ নেতারা মার্কিনী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কড়া বার্তা দিয়েছেন। তারা বলেছেন, কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার জবাব হবে ‘অকল্পনীয়’। তেহরান আরও স্পষ্ট করেছে যে, তারা সামরিক হুমকির মুখে কখনোই মাথা নত করবে না।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, মার্কিন সরকার যদি মনে করে যে মিডিয়ার চাপ বা সামরিক ভয় দেখিয়ে ইরানকে আত্মসমর্পণ করানো যাবে, তবে তারা ভুল করছে।
গালিবাফ পার্লামেন্টে ভাষণ দেওয়ার সময় বলেছেন, মার্কিনরা মনে করে, কয়েকটা সংবাদপত্রের মাধ্যমেই হোক বা সামরিক হুমকির মাধ্যমে, তারা আমাদের মহান জাতিকে হার মানাতে পারবে। কিন্তু তারা জানে না, আজকের ইরান পাহলভি যুগের মতো দুর্বল নয় বরং এটি আত্মবিশ্বাস, প্রতিরক্ষা ক্ষমতা এবং ইস্পাত-কঠিন সংকল্পের একটি অজেয় দুর্গ।
গালিবাফ আরও বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তাদের আচরণ পরিবর্তন না করবে, তাদের জবরদস্তিমূলক এবং লোভী মনোভাব বন্ধ না করবে এবং বাস্তবিকভাবে তাদের লঙ্ঘিত প্রতিশ্রুতি পূরণ না করবে, ততক্ষণ তাদের কোনো কথার বিশ্বাসযোগ্যতা থাকবে না।
উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণগুলোর মধ্যে একটি হলো হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিতর্ক। ইরান সবসময় হরমুজকে তাদের সার্বভৌম ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে। এই প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনের রুট। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এক মন্তব্যে বলেছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালাতে পারেন বা একটি সুন্দর, সুন্দর চুক্তি করতে পারেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেছেন, বর্তমান যুদ্ধের কারণে পরিস্থিতির ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। তিনি যোগ করেছেন, হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনাও আর আগের মতো থাকবে না। তেহরান চায় আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, কোনো বাইরের হস্তক্ষেপ নয়।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।