ঢাকা , বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের আশা প্রকাশ ট্রাম্পের নতুন বেতন কাঠামোয় মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা নবম পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরাও আসছেন নেপালে বন্যায় মৃত ৯৩৯, এক বাড়ি থেকেই উদ্ধার ২৩ লাশ ৪৫ বছর পর জিয়া হত্যার পুনঃতদন্তে নতুন সূত্র ইসলামকে ‘অন্য সব ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’ বলায় মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী ইরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা আদানির বিদ্যুৎ কমায় দেশজুড়ে লোডশেডিং তীব্র মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ৭০০ মিলিয়নে স্থির শাহজালাল বিমানবন্দরে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ছাড়াই ৩০ কোটি টাকার পণ্য উধাও দেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনা উদ্বেগজনক: ৭ মাসে জিডি প্রায় ১৬ হাজার ২০২৮ সালে বড় সংস্কার, ২০২৭ থেকেই নতুন শিক্ষাক্রম তিব্বতে ভূমিধসে নতুন হ্রদ, ঝুঁকিতে গিরিওং বন্দর সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, বাগমারায় নানা অভিযোগ ফিরোজের নেপালে হিমবাহ ধসের বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৬৩৩, তিব্বতে নিহত ৭ কক্সবাজারে বারে সংঘর্ষে যুবক নিহত, অভিযুক্তেরও মৃত্যু নেপালে সহায়তায় ৩১ মিলিয়ন ডলার চাইলো রেড ক্রস সৌদি আরবে অবৈধভাবে কাজ করলে ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা ও কারাদণ্ড

নেত্রকোনার চার কলেজে এইচএসসিতে শূন্য পাস, তদন্তের নির্দেশ প্রশাসনের

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৬-১০-২০২৫ ০৯:১০:১৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-১০-২০২৫ ০৯:১০:১৬ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৪৩ বার পঠিত
নেত্রকোনার চার কলেজে এইচএসসিতে শূন্য পাস, তদন্তের নির্দেশ প্রশাসনের ছবি সংগৃহীত

এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় নেত্রকোনা জেলার চারটি কলেজে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। এছাড়া আরেকটি কলেজ থেকে কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—কেন্দুয়া উপজেলার গোপালপুর মডেল কলেজ, জনতা আদর্শ কলেজ, গড়াডোবা আব্দুল হামিদ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সদর উপজেলার ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন কলেজ ও লোক সংস্থা এবং পূর্বধলা উপজেলার জোবাইদা জহোরা উদ্দিন সরকার মহিলা কলেজ। এর মধ্যে গড়াডোবা আব্দুল হামিদ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে কোনো পরীক্ষার্থী অংশ নেয়নি।
 

গোপালপুর মডেল কলেজ থেকে ১২ জন, জনতা আদর্শ কলেজ থেকে ৯ জন, ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন কলেজ থেকে ২ জন এবং জোবাইদা জহোরা উদ্দিন সরকার মহিলা কলেজ থেকে ৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিলেও সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।
 

গোপালপুর মডেল কলেজের অধ্যক্ষ সুজিত কামিত্ম কর বলেন, “শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় অনাগ্রহী। অনেকে গার্মেন্টসে চাকরিতে চলে গেছে। এমপিওভুক্ত না হওয়ায় খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে ক্লাস নিতে হয়, এতে শিক্ষার মান ব্যাহত হচ্ছে।”
 

জনতা আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ তাজিম উদ্দিন ফকির জানান, “গত বছর আমাদের ভালো ফলাফল হয়েছিল। কিন্তু এবছর প্রত্যাশিত প্রস্তুতি না থাকায় সবাই ফেল করেছে।”
 

নেত্রকোনা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শামীমা ইয়াসমীন জানিয়েছেন, “যেসব কলেজে পাসের হার শূন্য, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
 

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর বোর্ডজুড়ে গড় পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। তবে নেত্রকোনা জেলায় এই হার ৪৭ দশমিক ৩৯ শতাংশে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

 
 
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।