এই অগ্রগতির পেছনে অন্যতম চালিকাশক্তি হলো সরকারি ভর্তুকি এবং যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধি। একই সঙ্গে বিদেশী প্রতিযোগীদের বিনিয়োগ কমার ফলে রাশিয়ার স্থানীয় কোম্পানিগুলো নতুন সুযোগ পেয়েছে। এর ফলে, একোনিভা নামের একটি দেশীয় কোম্পানি গত তিন বছরে ৮০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধি করে রাশিয়ার শীর্ষ দুগ্ধ প্রক্রিয়াকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় কোম্পানিটি এখন চীনেও দুধ রপ্তানি করছে। রাশিয়ার এই উদ্যোগ শুধু খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে না, বরং তাদের অর্থনীতিকেও আরও শক্তিশালী করবে।
রাশিয়া দুগ্ধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পথে: নতুন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২১-০৯-২০২৫ ০৪:১৩:১৩ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২১-০৯-২০২৫ ০৪:১৩:১৩ পূর্বাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ২ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
২০১৪ সালে পশ্চিমা দেশগুলোর আরোপিত খাদ্য নিষেধাজ্ঞার পর থেকে রাশিয়া নিজেদের দুগ্ধ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছে। দেশটি দুগ্ধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার হার ৭৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৮৬ শতাংশে উন্নীত করেছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার ৮৮ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
সর্বশেষ সংবাদ
এ জাতীয় আরো খবর
ডেস্ক রিপোর্ট